দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুর পৌরসভার এরলাকা ৯ নং ও ১২নং ওয়ার্ডের কিছু এলাকায় সামান্য বৃষ্টির পানিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে প্রায় ১ হাজার পরিবা জীবন বিপন্ন হয়ে পরেছে।. পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে প্রায় ১ হাজার পরিবার বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়। অসময়ে বৃষ্টি হলে এবং অসময়ে বন্যা দেখতে হলে পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড এলাকার বাহারপাড়া এলাকায় যেতে হবে। সারাদেশে কোথাও বন্যা না হলেও ৯নং ওয়ার্ড এলাকার বাহারপাড়া এলাকায় বন্যা প্রতি দিনে ডালভাত।

বাহারপাড়া এলাকার শেখ ইদ্রিস আলী বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই বৃষ্টির পানি এই এলাকার প্রতিটি ঘরে বুক পরিমান পানি জমে যায়, আমরা প্রতি রাত আতংকের মাঝে কাটাই, শহরের বাইরে গেলে শান্তিতে থাকতে পারি না। কারণ একটাই বৃষ্টি হলেই জীবণ বাাঁচাতে অন্য স্থানে আশ্রয়ের জন্য পাড়ি দিতে হয়।

এই করুন দৃশ্য হয়তো কেউ দেখেনা বা জানেও না। একই এলাকার আফসার আলী বলেন, এই পানি নিস্কাশন করতে হলে পার্শবর্তি মানিকনগর হতে খোয়ারের পুল মাঝিপাড়ার পূর্বে ক্যানেল রয়েছে সেই ক্যানেল হয়ে কাঞ্চন বিলে মিলিত হয়েছে কিন্তু উক্ত বিলে পানি গুলো যেতে পারছে না বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারনে বিষয় গুলো উর্ধতন কর্মকর্তা দৃষ্টি দিলে সহজেই পরিপল্পনা নিয়ে বাস্তবায়িত করা সম্ভব হবে।

অপরদিকে এলাকার কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মোঃ আবু তৈয়ব আলী দুলাল বলেন, বিভিন্ন এলাকায ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকলেও সেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকেজো হয়ে পরে রয়েছে। তিনি আরও বলেন ৯ নং ওয়ার্ডের উপশহর এলাকার ৭নং , ৮নং ও ২নং এলাকর পানি নিস্কাশন করতে হলে পার্শ্ববর্তি ঘাগড়ার সাথে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করতে হবে এবং সেই সাথে উপশহর ৬ নং এলাকা ও বাহারপাড়া এলাকার পানি মানিক নগর হয়ে খোয়ারেরপুল হয়ে পানি নিস্কাশনের পরিকল্পনা করে তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তবেই এই ১ হাজার পরিবার বদ্ধ পানি হতে মুক্তি পাবে বলে আমিআশাবাদী। তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকার বরাদ্দের প্রয়োজন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য