আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ আন্তর্জাতিক তথ্য দিবস উপলক্ষে সোমবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘তথ্যের অধিকার, সুশাসনের হাতিয়ার তথ্যই শক্তি, দূর্ণীতি থেকে মুক্তি’।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আলমগীর কবীরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন এনডিসি ফয়েজ উদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রসূন কুমার চক্রবর্ত্তী, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার মাহিদ আল হাসান, গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি কেএম রেজাউল হক, সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সাবু, যুগ্ম সম্পাদক আবেদুর রহমান স্বপন, এসকেএস ফাউন্ডেশনের আশরাফ হোসেন, পিআইবির জেলা সমন্বয়কারি মোর্শেদ আলম, সনাক জেলা সহ-সভাপতি আফরোজা বেগম লুপু প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার শাহীন দেলওয়ার।

আলোচনা সভায় সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া বক্তারা বলেন, তথ্য অধিকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে আইনভূক্ত সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি ও দূর্ণীতি হ্রাস পাবে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে।

পলাশবাড়ীতেঃ ‘তথ্যের অধিকার-সুশাসনের হাতিয়ার তথ্যই শক্তি, দূর্ণীতি থেকে মুক্তি’ এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে আন্তর্জাতিক তথ্য দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ বঙ্গবন্ধু হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান নয়নের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব একেএম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি উপজেলা আওয়ামী লীগ সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব তোফাজ্জল হোসেন সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ শামিকুল ইসলাম সরকার লিপন, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ ছাইফুলার রহমান চৌধুরী তোতা, উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান এএসএম রফিকুল ইসলাম মন্ডল রিপন, আনোয়ারা বেগম ও প্রেস ক্লাব সভাপতি রবিউল হোসেন পাতা প্রমুখ। এসময় উপজেলা প্রশাসনের অপরাপর দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া বক্তারা বলেন, তথ্য অধিকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে আইনভূক্ত সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি ও দূর্ণীতি হ্রাস পাবে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য