সাংবাদিক সম্মেলনঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে মামলার ভুক্তভোগী শাহজাদা ইব্রাহিম।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ঘোড়াঘাট সদরে রিপোটার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে মামলার ভুক্তভোগী শাহজাদা ইব্রাহিম তার লিখিত বক্তব্যেতে বলেন, গত ৬ আগষ্ট সকাল ৭টার সময় আমার বেকারীর মিস্ত্রি আশরাফুল ইসলামের স্ত্রীর সন্তান প্রসবের ঘটনায় পাশ্ববর্তী সাদুল্লাপুর উপজেলায় যাই। একই দিন সকালে আমার শাশুড়ী, শ্যালকের স্ত্রী ও একটি ছোট কন্যা সহ আমার বাসায় বেড়াতে আসে।

বিষয়টি আমাকে ফোনে আমার স্ত্রী মরিয়ম বেগম অবগত করলে আমি তাদের প্রয়োজনীয় সম্মান করার কথা জানাই। ঘটনার দিন আমার স্ত্রী রান্না করার সময় আমার শাশুড়ী সহ আত্মীয়রা পাশে বসে বিভিন্ন আলাপ ও আলোচনা করছিল। এমন সময় গ্যাসের চুলার উপরে থাকা একটি পাতিলে গরম পানি অজ্ঞতবশত ভাবেই ছিটকিয়ে তাদের শরীরে পরে।

বিষয়টি আমাকে ফোনে আমার স্ত্রী অবগত করলে আমি তাৎক্ষণিক আমার স্ত্রীকে দিয়ে ঘোড়াঘাট হাসপাতালে ভর্তি করাই। এ ঘটনায় আমি রাতে রোগীর খোঁজখবর নিতে গেলে হাসপাতালে উপস্থিত আমার আত্মীয় স¦জনেরা আমাকে জানায় তুমি এখানে আসো না। তোমার শশুরের পরিবার থেকে বিভিন্ন হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ফলে আমি তার চিকিৎসার টাকা পয়সা ঔষধের দোকানে বিকাশে এবং আমার ছোট ভাই সহ পৌর কাউন্সিলরের মাধ্যমে বহন করি। ঘটনাটি চিকিৎসা শেষে তার পরিবার আমার স্ত্রীকে নিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়।

আমার স্ত্রীর পরিবারেরা বিবাহের পর থেকেই বিভিন্ন ভাবে মেয়েকে তারা প্রলোভন দিয়ে আসতেছিল যে, আমার বাড়ির জমি লিখে নেওয়ার। আমি এটা সব সময় অস্বীকৃতি জানিয়ে এসেছি। ঘটনার ১৩ দিন পর আমি হঠাৎ জানতে পারি আমার শ্যালক মাহবুর রহমান অন্যের প্ররোচনায় বাদী হয়ে ঘোড়াঘাট থানায় একটি মামলা করেছেন। এ মামলায় আমি সহ অন্যনরা তাৎক্ষণিক আদালত থেকে জামিনে এসেছি। আমার স্ত্রী একজন এতিম ও গরিব সেটা আমি জেনে শুনেই বিয়ে করেছি। এখানে যৌতুক চাওয়ার কোন প্রশ্নই আসেনা। সাংবাদিক সম্মেলনে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য