দিনাজপুর সংবাদাতাঃ করোনা সংক্রমণ শুরু থেকে বন্ধ হয়ে আছে দিনাজপুরের ডেকোরেটর ও কমিউনিটি সেন্টার গুলি এতে করে লোকসান গুনতে হচ্ছে ডেকোরেটর ও কমিউনিটি সেন্টার মালিক পক্ষ কে।

গত ১৯ শে মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ছয় মাস ধরে সরকারের যুগান্তকারী নির্দেশনা মেনে সরকারের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে দেশ ও জাতির স্বার্থে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখেন দিনাজপুর জেলা ডেকোরেটর ও কমিউনিটি সেন্টার মালিক সমিতি।

দিনাজপুর জেলায় ডেকোরেটর ও কমিউনিটি সেন্টার এর মালিক পক্ষ রয়েছে ২ হাজার ৬০০ জন। এবং কর্মচারী রয়েছে কয়েক হাজার, প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মচারীরা।

দিনাজপুর জেলা ডেকোরেটর ও কমিউনিটি সেন্টার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলাম কামাল বলেন, বর্তমান সময়ে দেশের বিভিন্ন সেক্টরর গণপরিবহন, ট্রেন, রেস্তোরাঁ, হোটেল, খুলে দেওয়া হলেও খুলে দেওয়া হয়নি দিনাজপুরের ডেকোরেটর ও কমিউনিটি সেন্টারগুলো।

সরকার যে নির্দেশনা দিয়েছেন আমরা সরকারি সব নির্দেশনা মেনে আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রেখেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্য পার্শ্ববর্তী কিছু জেলাতে ডেকোরেটর প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া হলেও দিনাজপুরে এখনো খুলে দেওয়া হয়নি।

প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে না দেওয়াতে লোকসান গুনতে হচ্ছে আমাদের। সেই সাথে মানবেতর জীবনযাপন পার করছেন এখানকার কর্মচারীরা।

আমার প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন ডেকোরেটরে প্রায় ৬০ জন কর্মচারী কাজ করেন। প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এ পরিবারগুলো খুব কষ্টে জীবনযাপন পার করছেন।

আমরা আমাদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েও এর কোনো সুরাহা পাইনি। গণমাধ্যম কর্মীদের মাধ্যমে সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাই সরকার যে নির্দেশনা দিবে সে নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠান চালু রাখতে চাই।

এদিকে প্রয়োজন ডেকোরেটরের এক কর্মচারী শফিকুল ইসলাম জানান, পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছি। ২মেয়ে ১ ছেলে সাথে বাবা-মা সংসারের হাল আমার উপরে।
কাজকাম না থাকায় খুব কষ্টে চলে যাচ্ছে সংসার।

রবিউল নামের আরেক কর্মচারী জানান, সামনে পূজা উৎসব বিগত সময়ে পূজার দুমাস আগে থেকেই কাজের ধুম পড়ে যায়, কিন্তু বর্তমানে পূজার আর কদিন থাকলেও এ যাবো তো কোন কাজ নেই।
ডেকোরেশনের কাজ কাম না থাকায় খুব কষ্টে দিন পার করছি আমরা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য