বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো করোনার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সিঙ্গাপুরের অর্থনীতিতেও। এর মধ্যেই অভিবাসী শ্রমিকদের ডরমিটরিতে করোনার প্রকোপ ঠেকাতে রীতিমতো লড়াইয়ে নেমেছে দেশটি।

সিঙ্গাপুরের বিখ্যাত মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ লিয়ঙ্গ হো ন্যাম বলেন, আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে। অর্থনীতিও চালু রাখতে হবে।

সিঙ্গাপুরের অবকাঠামো ও জাহাজ নির্মাণ খাতে কাজ করা তিন লাখেরও বেশি শ্রমিকের আবাসস্থল এসব ডরমিটরি। সেখানে একই কক্ষে গাদাগাদি করে থাকতে হয় অনেককে। সিঙ্গাপুরে ৫৭ হাজারেরও বেশি করোনা আক্রান্তের মধ্যে ৯৫ শতাংশই বিদেশি শ্রমিক বা এসব ডরমিটরির বাসিন্দা।

করোনার বিস্তার শুরু হলে কর্তৃপক্ষ এসব ডরমিটরিগুলো সিল করে দেয়। সেখানে ব্যাপকভিত্তিকভাবে পরীক্ষা চালানো হয়।

গত মাসে সরকারিভাবে দেশকে করোনামুক্ত ঘোষণার পর এখনও এসব ডরমিটরিতে প্রতিদিন গড়ে ৪৫ জনের করোনা শনাক্ত হচ্ছে। আর এসব ডরমিটরির বাইরে দিনে গড়ে দুই জনের করোনা শনাক্ত হচ্ছে।

এখন এসব ডরমিটরি একেবারে বন্ধ করে দেওয়ার বদলে ভিন্ন পথে হাঁটছে কর্তৃপক্ষ। দফায় দফায় পরীক্ষার পরই কর্মীদের কাজে যেতে দেওয়া হচ্ছে। সোশ্যাল ডিসট্যান্স মেনে চলার ওপর ব্যাপক জোর দেওয়া হচ্ছে। নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। শনাক্ত হওয়ার ব্যক্তির কাছাকাছি থাকা ব্যক্তিদের দ্রুত আইসোলেশনে নেওয়া হচ্ছে।

সিঙ্গাপুরের মানবসম্পদ প্রতিমন্ত্রী তান সে লেং বলেন, আমাদের বিশ্বাস দফায় দফায় পরীক্ষার মাধ্যমেই এটিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। সূত্র: রয়টার্স।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য