কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে চাষীরা অধিক লাভের আশা ও উজ্জ্বল সম্ভাবনা নিয়ে শীতের আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চলতি খরিপ-২ মৌসুমে কোন জমি আর পতিত নেই। বিস্তৃর্ণ কৃষকের মাঠে মাঠে দু-চোখ জুড়ানো সবুজের সমারোহ। চারিদিকে সবুজ রঙে ভরে উঠেছে ফসলের মাঠ।

শীতকালীন বাঁধা কপি ও পাতা কপির চারা রোপন চলছে। অধিক লাভের আশায় কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষকরা।

উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের বেগুন চাষি মন্টু বর্মন, সিদ্দিক মিয়া, আশিদুল ইসাম ও সুধান চন্দ্র জানান, প্রতি বিঘায় বেগুন রোপন করতে খরচ হয় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। বেগুন ক্ষেতে রোগ মুক্ত ও আবহাওয়া অনুকুলসহ বেগুনের ভাল দাম থাকলে ৮০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকা বিক্রি করা যাবে। যাবতীয় খরচ মিটিয়ে বিঘা প্রতি ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় হয়। আর যেসব চাষির অন্যের জমি ৮ থেকে ১০ হাজার টাকয় কন্টাক নিয়ে বেগুনসহ অন্যন্য সবজি চাষাবাদ করেছেন। তারও যাবতীয় খরচ মিটিয়ে বিঘা প্রতি ৪০-৫০ হাজার টাকা আয় করছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুবুর রশিদ জানান, বেগুন-লাউ ও শাকসহ বিভিন্ন সবজি চাষে কৃষিবিভাগ চাষিদের উদ্বুদ্ধ করা ও বিভিন্ন ধরণের সহযোগীতা দেওয়ায় এ অঞ্চলের প্রান্তিক চাষিরা আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। এ অঞ্চলের মাটি বেগুন-লাউসহ বিভিন্ন সবজি চাষের উপযোগী হওয়ায় চলতি খরিপ-২ মৌসুমে এ উপজেলায় ৫৫ হেক্টর জমিতে কৃষকরা আগাম বেগুনের চারা রোপন করেছে। বেগুন ছাড়াও পটল ৩৫ হেক্টর ,লাউ ,লাউ ১৫ হেক্টর ও পাট শাক ও মুলা শাক ৪৫ হেক্টর জমিতে রোপন করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুল থাকলে এ উপজেলায় কৃষকরা বেগুনসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করে অনেকেই লাভবান হবেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য