নীলফামারীর ছয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে কর্মকর্তাদের বাসার ফটোকের সামনে আনসার মোতায়েন করা হয়। জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট মো. মাহবুব আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, প্রত্যেক ইউএনও’র নিরাপত্তার স্বার্থে ১০ জন করে সশস্ত্র আনসার সদস্য মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সদর উপজেলাসহ প্রত্যেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে চার জন করে আনসার দায়িত্ব পালন করছে।

আগামী রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) থেকে প্রতিটি উপজেলায় অস্ত্র-গুলির নিরাপত্তা পূর্বক জেলা আনসার কমান্ডার ও নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে একজন প্লাটুন কমান্ডার (পিসি), একজন সহকারী প্লাটুন কমান্ডার (এপিসি) ও আট জন আনসারসহ মোট ১০ জন করে দায়িত্ব পালন করবেন।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিনা আকতার ও সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ জানান, ওইদিন দুপুর থেকে চার জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের দায়িত্ব পালনে বাসভবনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও ছয় জন আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে সরকারি বাসভবনের ভেনটিলেটর ভেঙে বাসায় ঢুকে দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। ইউএনও’র মাথায় গুরুতর আঘাত এবং তার বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। এ কারণে দেশের প্রত্যেকটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য