দিনাজপুর সংবাদাতাঃ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় তাদের দিনাজপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে গত রাতে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশের কাছে আসামিদের হস্তান্তর করে র‌্যাব। তবে প্রধান আসামি আসাদুল হককে মেডিক্যালে ভর্তি করানো হয়েছে।

ঘোড়াঘাট থানা সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ১টা ৪০ মিনিটে র‌্যাব-১৩ এর ডিএডি বাবুল খানের নেতৃত্বে মামলার দ্বিতীয় আসামি উপজেলার চকবামুনিয়া বিশ্বনাথপুর গ্রামের মৃত ফারাজ উদ্দিনের ছেলে রঙ মিস্ত্রি নবিরুল ইসলাম (৩৫) ও একই এলাকার খোকা চন্দ্রের ছেলে সান্টু চন্দ্র দাসকে (২৮) ঘোড়াঘাট থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব-১৩। শনিবার সকাল ১০টায় দুই আসামির রিমান্ড চেয়ে দিনাজপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

অপরদিকে মামলার প্রধান আসামি উপজেলার সাগরপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে আসাদুল ইসলামকে (৩৫) অসুস্থ থাকায় তাকে রংপুর মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানায় ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত আড়াইটার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ইউএনও’র সরকারি বাসভবনে ঢুকে হামলা করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে গেটে দারোয়ানকে বেঁধে ফেলে তারা। পরে বাসার পেছনে গিয়ে মই দিয়ে উঠে ভেনটিলেটর ভেঙে বাসায় প্রবেশ করে হামলাকারীরা। ভেতরে ঢুকে ভারী ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং আঘাত করে ইউএনও ওয়াহিদাকে গুরুতর আহত করে তারা। এ সময় মেয়েকে বাঁচাতে এলে বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে (৭০) জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে তারা অচেতন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। ভোরে স্থানীয়রা টের পেয়ে তাদের উদ্ধার করেন।

ওয়াহিদাকে প্রথমে রংপুরে ও পরে রংপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হয়। বর্তমানে তিনি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্স অ্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ইউএনও ওয়াহিদার চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের অধ্যাপক ডা. জাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য