আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ হতদরিদ্র রিক্সাচালক সোহেল মিয়া। বাড়ী বলতে এক চিলতে মাথাগোঁজার ঠাই। পলাশবাড়ী পৌরশহরের জামালপুর গ্রামে। পেশায় রিক্সচালক সোহেল তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। জমানো বলতে তার কিছুই নেই। করোনার এই সময় রিক্সা চালাতে না পেয়ে হাতে যা কিছু ছিল তা অনেক আগেই শেষ করেছেন। উপরন্তু ধার দেনায় বেড়েছে সাংসারিক নানা অশান্তি। যেন নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা।

এখানেই শেষ নয়। এর উপর মড়ার উপর খাড়ার ঘা হিসেবে দেখা দিয়েছে ব্যয়বহুল ওষুধ-পথ্য ও মেডিকেলে যাতায়াতের পাশাপাশি অপারেশন ব্যয়। হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি ছাড়াও অজানা কারণে সোলাইমানের চতুর্থবারের মত অপারেশন জরুরি হয়ে পড়েছে।

৫ মাস ধরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সোলাইমানের বাবা-মা দীর্ঘ সময় সন্তানের সেবা-সুস্থ্যতায় রীতিমতো হাঁফিয়ে উঠেছেন।দানশীল বিত্তশালীদের নিকট আর্থিক সহায়তার মানবিক আবেদন জানিয়েছেন।

বরাবরই মানবিক মানুষের কল্যাণ সহায়তায় সোলাই মানের চিকিৎসা চলে আসছিল। পূনরায় চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে ৫ সদস্য পরিবারের কর্তা অসহায় রিক্সাচালক বাবা সোহেল ও মা মেরিনা দম্পতি দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। ইতোমধ্যেই পৌরশহরের জামালপুর একই গ্রামের বাসিন্দা কেন্দ্রীয় কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদক গাইবান্ধা-৩ আসনের সাংসদ এড.উম্মে কুলসুম স্মৃতি অসহায়ের চিকিৎসা ব্যয়ে নগদ ১২ হাজার টাকা ছাড়াও চিকিৎসকদের সাথে শিশু সোলাইমানের স্বাস্থগত খোঁজখবরসহ ওষুধপত্র ব্যয়ের বিষয়টি সার্বক্ষণিক নজরে রেখেছেন। সর্বসাকুল্যে সাড়ে ৩ লাখ টাকা ব্যয় হলেও আরো প্রয়োজন হয়ে পড়েছে প্রায় দুই লাখ টাকার।

সাত বছরের মেয়ে সুমাইয়ার জন্মের দু’বছর পর সোহেল দম্পতির ঘরে জন্ম নেয়া যমজ দু’ভাই-বোনের একজন ৫ বছর বয়সি ছেলে সোলাইমান। যমজ বোন সুরাইয়া সুস্থ্য থাকলেও সাড়ে ৩ বছর বয়সে ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হয় ভাই সোলাইমান। বাবা-মা জানান আপনাদের সহানুভূতির সহায়তা ছাড়া চিকিৎসা ব্যয় যোগানের বিকল্প আর কোন পথ খোলা নেই তাদের সামনে।

রংপুর মেডিকেলে কর্তব্যরত সোলাইমানের চিকিৎসক ডা. তোফায়েল হোসেন এবং ডা. রাজকুমারের উদ্ধৃতি দিয়ে সোলাইমানের পরিবার জানান অপারেশনটি জরুরি হয়ে পড়েছে। নচেৎ তার জীবন বিপন্ন হবার সমূহ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যেই দেড় লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হয়েছে। চতুর্থবারের মত টিউমার অপারেশন সহ অন্যান্য ব্যয় মেটাতে আবারো মোটা অংকের অর্থের প্রয়োজন।

দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারটি সমাজের সর্বস্তরের দানশীল দয়ালু ব্যক্তিত্ব, জনপ্রতিনিধি, বিত্তশালী-স্বচ্ছল ব্যবসায়ি, রাজনীতিক, ব্যাংক-বীমা, জিও-এনজিও সংস্থা, মাননীয় মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য সর্বোপরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কামনা করেছেন।

সাহায্য পাঠাবার ঠিকানা- মোঃ সোলাইমান আলী, প্রযতেœ পিতা- মোঃ সোহেল মিয়া-মোবাঃ ০১৩১৪-১৭ ৫০১৮ (বিকাশ- ০১৩১৪-১৭৫০১৮)।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য