করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারি বিধিনিষেধের প্রতিবাদে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচিতে অংশ নেয় উগ্র ডানপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী হাজার হাজার মানুষ। এর মধ্যে কোনও কোনও বিক্ষোভ থেকে করোনাভাইরাসকে একটি প্রতারণা বা ভাওতাবাজি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। রবিবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

কিছু কর্মসূচি থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। জার্মানির বিক্ষোভে একটি প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘মি. ট্রাম্প, প্লিজ ডোন্ট ফরগেট দ্য জার্মান প্যাট্রিয়টস।’ অর্থাৎ, ‘হে ট্রাম্প, দেশপ্রেমিক জার্মানদের ভুলে যেও না।’

জার্মানিতে এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে প্রায় ৩৮ হাজার মানুষ। স্বভাবতই সেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কোনও বালাই ছিল না। রাজধানী বার্লিনে বিক্ষোভ থেকে ৩০০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে শুধু একটি বিক্ষোভ থেকেই পাথর ও বোতল ছুড়ে মারার দায়ে ২০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া আহত হয় সাত পুলিশ সদস্য।

টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে জার্মান পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাদের কাছে এর কোনও বিকল্প ছিল না।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিক হিসেবে পরিচিত লেখক আটটিলা হিলডম্যানও রয়েছে। বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন তিনি।

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে ৫-জি ও করোনা বিধিনিষেধের প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নেয় কয়েক হাজার মানুষ।

ব্রিটিশ বিক্ষোভকারীরা মাস্ক পরাকে মানুষের মুখ বন্ধ রাখার কৌশল হিসেবে আখ্যায়িত করে। করোনা পরিস্থিতিতে বিদ্যমান ‘নিউ নরমাল’কে আখ্যায়িত করা হয় ‘নিউ ফ্যাসিজম’ হিসেবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য