ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি হাড় সুস্থ রাখতে সাহায্য করে পনির।

দিনের গুরুত্বপূর্ণ খাবারটা হল সকালের নাস্তা। কারণ, সারারাত প্রায় আট থেকে ১০ ঘণ্টা খাওয়া ও পানি পান করা হয় নি, তাই এসময় শরীরকে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া জরুরি।

সকালের নাস্তায় পনিরকে আদর্শ খাবার হিসেবে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্যবিয়ষক একটি ওয়েবসাইটের প্রকাশিত প্রতিবেদনের আলোকে জানানো হল কেন পনির আদর্শ।

পেট ভরা রাখে

পনিরে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। হজম হতে সময় লাগে। পাশাপাশি এতে থাকে ‘জিএলপি-ওয়ান’, ‘পিওয়াইওয়াই’, ‘সিসিকে’ ইত্যাদি হরমোন যা পেট ভরা অনুভূতিকে দীর্ঘায়িত করে, তার মাত্রা বাড়ায় পনির। তাই সকালের নাস্তায় পনির খেলে লম্বা সময় ক্ষুধা লাগবে না।

শরীর চাঙ্গা রাখে

পুষ্টি উপাদানগুলোর ভালো মিশ্রণ মেলে পনির থেকে। তাই যারা ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখার চেষ্টা করছেন তাদের জন্য এটি ভারি হয় না। সকালের নাস্তায় ১৫০ থেকে ২০০ গ্রাম পনির খেতে পারেন।

কার্বোহাইড্রেট কম

প্রতি ১০০ গ্রাম গরুর দুধের পনিরে প্রায় ১.২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেইট থাকে। ক্যালরির হিসেবে করলে ২৮ গ্রাম পনির খাওয়ার পর আপনি গ্রহণ করবেন ৮২.৫ ক্যালরি। তাই ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয় নেই।

ক্যালসিয়াম

দাঁত ও হাড় শক্ত রাখতে শরীরের ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন হয়। এই ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে পনির।

ওজন কমাতে সহায়ক

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে প্রথমেই যে চিন্তা মাথায় আসে তা হল প্রোটিন গ্রহণের মাত্রা বাড়ানো। আর পনিরে তা যথেষ্ট মাত্রায় থাকে। পেট ভরা রাখে লম্বা সময়, ফলে খাওয়া কমে। যারা শাকাহারি তাদের জন্য পনির আদর্শ খাবার।

অন্যান্য উপকারিতা

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য পনির উপকারী। এতে ‘ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড’ মেলে, যা শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য জরুরি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য