দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের পল্লীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপে অবশেষে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার অবসান ঘটেছে।

২৪ আগষ্ট সোমবার সকাল ১১ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আয়েশা সিদ্দীকা থানা পুলিশ সহকারে ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় অমরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেলাল সরকারের উপস্থিতিতে মাটি কেটে ক্যানেল তৈরী করে এ জলাবদ্ধতার অবসান ঘটান।

সরেজমিনে জানা গেছে, উপজেলার অমরপুর ইউনিয়নের খামার জয়দেবপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলী গত ১৮ বছর পূর্বে ক্যানেলের সামনে মাটি ভরাট করায় পানি প্রবাহের বাঁধা সৃষ্টি করে। এরই ধারাবাহিকতায় একই এলাকার মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে বাবু আহমেদ গত ৫/৬ মাস পূর্বে ক্যানেলের মূখে মাটি ভরাট করে এবং মাস খানেক পূর্বে বাড়ি নির্মাণের জন্য টিনশেড তৈরী করে। ফলে বর্ষার পানি বেরুতে না পেরে পুরো এলাকা জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

এত করে আনুমানিক ১৫০ বিঘা জমির আবাদি ফসল পানিতে তলিয়ে গিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিকগণ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য অভিযোগ করলে তিনি থানা পুলিশ সহকারে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিকল্প উপায়ে পাশ্ববর্তি জমির ধার ঘেষে ক্যানেল তৈরী করে আপাতত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দেন। এসময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হেলাল সরকার বলেন, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন হওয়ায় আপাতত কৃষকগণ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে।

তবে স্থায়ী সমাধান করতে কালভার্টের মূখের সামনে উভয় পার্শ্বে ফাঁকা করতে হবে। সরকারি বা প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার ছাড়া এটি স্থায়ী সমাধান হবেনা। কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক জানান, আমরা ১৮ বছর ধরে জলাবদ্ধতার শিকার হয়েও কোনমতে আবাদ করছিলাম,কিন্তু এবার ক্যানেলের সামনের মূখ বন্ধ করে দেয়ায় পানি নিষ্কাশন পুরো বন্ধ হয়ে গেলে আমরা নিরুপায় হয়ে পড়ি। ক্যানেলের সামনে মাটি ভরাটকারী বাবু আহমেদ বলেন, আমার ব্যাক্তিগত জমিতে মাটি ভরাট করে বাড়ি করছি। বর্ষার পানি নিষ্কাশনের রাস্তা অনেক আগেই বন্ধ করা হয়েিেছল। বর্তমানে পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ প্রহরায় বিকল্প উপায় হিসেবে ক্যানেল খনন করা হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য