দিনাজপুর সংবাদাতাঃ করোনা সংক্রমণ রোধে প্রশাসন যখন রাতদিন মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে ঠিক তখনি বোচাগঞ্জ উপজেলায় সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে বসেছে সেতাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সাপ্তাহিক হাট । যেকোন সময় ঘটতে পারে করোনার হাজারো সংক্রমণ। সাপ্তাহিক হাটে আগত অধিকাংশ ক্রেতা বিক্রেতাদের মুখে নেই মাক্স।

দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার উত্তর বঙ্গের সর্ববৃহৎ সাপ্তাহিক সেতাবগঞ্জ হাট বসে সোমবার। এটি যুগ যুগ ধরে জমজমাট হাট হিসেবে পরিচিত। আশ পাশের জেলার বিভিন্ন উপজেলার মানুষ সপ্তাহে একদিন এই হাটে কেনা বেচা করতে আসেন। করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাবে বিভিন্ন এলাকার মানুষ এক জায়গায় একত্রিত হয়ে কেনাবেচা করলেও তারা মানছেনা কোন স্বাস্থ্যবিধি। ন্ইে কোন সামাজিক দুরুত্ব এমনকি অনেকের মুখেও নেই মাক্স।

প্রতিদিন উপজেলা প্রশাসন ও সেতাবগঞ্জ পৌরসভার থেকে বোচাগঞ্জ উপজেলার সকল হাটবাজার সহ সেতাবগঞ্জের সাপ্তাহিক সোমবার হাটে আগত সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মানতে ও মাস্ক ব্যাবহার করতে মাইকিং করা হচ্ছে ঠিকা তখনি উল্টোচিত্র দেখা যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী সেতাবগঞ্জ হাটে। গতকাল ১৭ আগষ্ট সোমবার সেতাবগঞ্জের সাপ্তাহিক হাট ঘুরে দেখা গেছে নেই কোন স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দুরুত্ব। ক্রেতা বিক্রেতারা স্বাস্থ্য বিধি না মেনে মাক্স না পড়েই কেনা বেচা করছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে মাইকিংএ বলা হয় পরর্বতী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত উপজেলার সকল হাটবাজার রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।

কিন্তু অনেকেই তা মানছে না। রাত ৮টার পরও কিছু কিছু দোকান খোলা থাকছে। গোটা দেশ যখন প্রানঘাতী করোনা সংক্রমণ রোধে সকলই শহর গ্রামগঞ্জে কাজ করে চলছে ঠিক তখনই বোচাগঞ্জের সাপ্তাহিক হাটের দৃশ্যটা একেবারে ভিন্ন।

স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন , সেতাবগঞ্জ পৌরসভা ও সামাজিক সংগঠন গুলো গণসচেতনা সৃষ্টিতে নিরলস ভাবে কাজ করলেও জনসাধারণের মাঝে তার কোন প্রভাব পরছে না।সরজমিনে দেখা যায়,বোচাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছন্দা পাল সেতাবগঞ্জ হাট বাজারে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগীতায় সেতাবগঞ্জের চলমান হাটে স্বাস্থ্য বিধি মানাতে কাজ করছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য