দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পৌরশহর ও উপজেলার হাটবাজারের অলিতে গলিতে গজিয়ে উঠেছে চায়ের দোকান। আর এই চায়ের দোকানের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে প্লাস্টিকের কাপ।

অত্যান্ত সহজ লভ্য ও সস্তা দরে এ সব প্লাস্টিকের চায়ের কাপে চুমুক বসাতে উৎসাহ বোধ করছে প্রায় সব শ্রেণী পেশার মানুষ। তারা জানে না প্রতিদিন প্লাস্টিকের চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে কি ভুল করছে।

এটি মানব স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি স্বরূপ। গবেষকদের মতে,প্লাস্টিক এমন একটি পদার্থ যা মানব দেহে প্রবেশ করে জীবনকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়।

প্লাস্টিকের মধ্যে গরম কিছু নিয়ে খেলে এর বিষে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে ভয়াবহ সব রোগ। জটিল ও কঠিন রোগ এড়াতে আজই প্লাস্টিকের গ্লাস পরিহার না করলে মৃত্যুঝুকি আছে।

প্রকাশ থাকে, বাংলাদেশে চা একটি জনপ্রিয় পানীয়। সারা দিনের ক্লান্তি দূর করতে এই পানীয়ের কোনো জুড়ি নেই। অনেকের কাছে সকালে চা কিংবা কফি না হলে দিনটাই মাটি হয়ে যায়।

দিনের শুরুতে কিংবা দিনের ক্লান্তি দূর করতে চায়ের দোকানে সবসময়ই সাধারনত মানুষের ভিড় লেগে থাকে। কেউ দাঁড়িয়ে পান করে আবার কেউ বসে।

আবার কেউ কেউ সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছেন পান করতে সেটি,আর তা সম্ভব হচ্ছে প্লাস্টিকের কাপ থাকায়। প্লাস্টিকের কাপে একদিকে যেমন হচ্ছে পরিবেশের ক্ষতি অন্য দিকে এটি মানব দেহের স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি স্বরূপ।

গবেষকদের মতে, প্লাস্টিক মধ্যে গরম কিছু নিয়ে খেলে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে ভয়াবহ সব রোগ। প্লাস্টিকের কাপ বানাতে সাধারণত যে যে উপাদান ব্যবহার করা হয়,সেগুলি বেশি মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করলে হরমোনের ভারসাম্যতা হারানো,মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমে যাওয়াসহ একাধিক জীবনঘাতী রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

যেমন বোতল বা পাত্র তৈরিতে ব্যবহৃত পলিভিনাইল ক্লোরাইড(পিভিসি) নরম করা হয় থ্যালেট ব্যবহার করে। এই থ্যালেট আমাদের শরীরের পক্ষে বিষ। শীররে এই রাসায়নিক নিয়মিত ঢুকতে থাকলে শ্বাসকষ্ট,টাইপ-২ ডায়াবেটিক,কম বুদ্ধি,অটিজম, ব্রস্ট ক্যান্সারের মতো অসুখ শরীরে বাসা বাঁধে। এছাড়া হার্ড,কিডনি,লিভার, ফুসফুস এবং ত্বকও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। প্লাস্টিকের মধ্যে লুকিয়ে থাকা পদার্থ যা মানব জীবনকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়। চা একটি জনপ্রিয় পানীয়।

সারাদিনের ক্লান্তি দূুর করতে এই পানীয়ের কোনো বিকল্পই নেই। চা খেলে কাজের চাপ কাটাতে বা অবসরে আড্ডায়,চা- কফির বিকল্প হয় না। আর বাড়ীর বাইরে রাস্তার ধারের কোনও দোকানে দাঁড়িয়ে চা-খাওয়ার মত কাজ টি সবাই দ্রুত সেরে ফেলে। করোনার কারণে বেশির ভাগ চা দোকানির হাতের কাছে পাওয়া প্লাস্টিকের কাপে চা বানিয়ে দিচ্ছে। দোকানে বসে সব শ্রেণীর মানুষ প্রতিদিন চা পান করছে দেদারছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য