প্রত্যেকটি নারীর অবশ্যই গর্ভধারণের লক্ষণগুলো জেনে রাখা উচিত। তবে সব লক্ষণ কিন্তু গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ নয়। তাই মেয়েরা একটু সতর্ক হলে ঘরে বসেই বুঝতে পারবেন তিনি গর্ভবতী কিনা? অনেক সময় গর্ভধারণের লক্ষণ বুঝে উঠতে দেরি হয়ে যায়। ফলে গর্ভের শিশুর নানা রকম ক্ষতি হয়ে যায়।

তাই নিজের দেহের ভিতর একটি প্রাণের আগমন সম্পর্কে ভালো ভাবে জেনে নেয়া উচিত। গর্ভধারণের বিশেষ কিছু লক্ষণ রয়েছে যা দেখে একজন নারী বুঝতে পারেন, তিনি গর্ভবতী। চলুন জেনে নেয়া যাক এই বিষয়ে সঠিক কিছু তথ্য-

গর্ভধারণের প্রাথমিক লক্ষণ
> পেটে ব্যথা।

> স্বভাব পরিবর্তন এবং ক্লান্তি ভাব।

> গর্ভাবস্থার চতুর্থ থেকে অষ্টম সপ্তাহ সকালের দিকে বমি বমি ভাব এবং দুর্বলতা শুরু হয়।

> মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া।

> সকালের দিকে দুর্বল অনুভব করা।

গর্ভধারণের কয়েকটি বিশেষ লক্ষণ
> যদি আপনার স্তনে ভারাক্রান্তি, পিঠে ব্যথা ইত্যাদি থাকে তবে এটি গর্ভাবস্থার লক্ষণ হতে পারে। অনেক সময় মহিলারা তাদের পিরিয়ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বুঝতে পারেন না যে তারা গর্ভবতী। তাই গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করতে পরীক্ষা করতে হবে।

>মাথা ব্যথাও গর্ভাবস্থার অন্যতম প্রাথমিক লক্ষণ। গর্ভাবস্থায় হরমোন পরিবর্তনের কারণে মাথা ব্যথা হয়।

> অনেক সময় গর্ভবতী হলে শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। বিশেষত যখন পেটে ভ্রূণ বৃদ্ধি পাচ্ছে তখন তার অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় যার ফলে গর্ভবতী মহিলার শ্বাস নিতে সমস্যা হয়।

> গর্ভাবস্থায় মেজাজ বদলে যায় এবং যখন তখন খাবারে অথবা অন্যান্য কারণ বশত বমি পায়। এটি গর্ভাবস্থার একটি বিশেষ লক্ষণ।

> মাঝে মাঝে গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্ভাবনাও দেখা যায়। এই সময়ের মধ্যে, পেট ফাঁপা শুরু হয় এবং শরীর ফুলে যায়। এগুলো ছাড়াও হজমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

উপরের এই লক্ষণগুললো গর্ভধারণের লক্ষণ। তবে মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া, ঘন ঘন বমি এবং ক্লান্তি ভাবকেই গর্ভধারণের লক্ষণ বলা হয়ে থাকে। গর্ভধারণের লক্ষণ শনাক্ত করা এটি ভালো মাধ্যম। তাই এই লক্ষণগুলো বুঝতে পারলে পরীক্ষা করা উচিত।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য