কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দ্বিতীয় দফা বন্যায় গোটা উপজেলা প্লাবিত হওয়ায় আমন বীজতলা নষ্ট হলেও কৃষক চড়া মূল্যে চারা ক্রয় করে রোপন করছেন।

আমন চারা ব্যবসায়ীরা রংপুর, সৈয়দপুর, তারাগঞ্জ, পীরগাছা, কাউনিয়া, তিস্তা, রাজারহাটসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে চারা ক্রয় করে নিয়ে এসে উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি করছে।

অনেকে চড়া মূল্যে চারা ক্রয় করে নিয়ে এসে তা জমিতে রোপন শুরু করলেও নিম্ন আয়ের কৃষকরা চারার মূল্য বেশী হওয়ায় আমন চারা রোপন করতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

গাবেরতল এলাকার কৃষক সাজু মিয়া (৭০) জানান, দ্বিতীয় দফা বন্যায় পুরো বীজতলা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় চড়া মূল্যে চারা ক্রয় করতে না পেরে রোপা আমন চারা রোপন করতে পারছিনা।

মজাই ডাঙ্গা এলাকার কৃষক আনছার আলী (৭৫) জানান, বন্যায় পানি বাড়ীতে ওঠায় ঘর বাড়ী ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হওয়ায়সহ আমন বীজতলা নষ্ট হওয়ায় এবং আমন চারার বেশী মূল্য হওয়ায় চারা ক্রয় করতে হিমশিম খাচ্ছি।

সরকারী-বেসরকারী ভাবে চারা পেলে আমন চারা রোপন করা সম্ভব হবে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, এবারের বন্যায় চিলমারী উপজেলার ৩২০ হেক্টর জমির আমন বীজতলা নষ্ট হয়ে যায়। ৮,৪০০ হেক্টর জমিতে আমন চারা রোপনের লক্ষ মাত্রা নিধারণ করা হয়েছে। কিন্তু বীজতলা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় লক্ষ মাত্রা অর্জন না হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য