ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশৈংকল পৌর শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ বস্তির কমরেড মজু মুন্সি প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে অসহায়ত্ব জীবন -যাপন করছেন। বাংলাদেশ ওর্য়াকাস পার্টির কৃষক নেতা একে এম আজিজুল হক মজু মুন্সি স্বাভাবিক জীবন যাপন করছিলেন। এ কমরেড নেতার ৭০ বছর বয়সে তার বিরুদ্ধে প্রায় ৭৫ টি হয়রানী এবং র্নিযাতন মূলক মামলা হয়েছিল- জীবনের অধীক সময় কারাবরণে কাটে তার । বর্তমানে মামলা মুক্ত জীবন জাপন করলেও বয়সের ভারে হঠাৎ করেই ২০১৩ সালের ৭ই এপ্রিল ব্রেনস্টোক করে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় আসেন। নিউরোজী আক্রান্ত এই কমরেড নেতা নিÑর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। কমরেড নেতা মজু মুন্সি রাজনৈতিক জীবনে দুনিয়ার মজদুর এক হও শ্লোগান শুনলেই আর স্থীর থাকতে পারত না, কিন্তু আজ তার কোন গতি নেই । তার হাত পা এমন কি সমস্থ শরীর অকেজো হয়ে পড়েছে। চোখ খুলে দেখা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। এক মাত্র শিক্ষিত বেকার ছেলে পিতার চিকিৎসার টাকা যোগাড় করতে সীমাহীন পরিশ্রম করে তার পিতার চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসার টাকা যোগান দিতে কষ্ট তাকে হার মানাতে পারেনি। তার সপ্ন পিতার মুখে সে হাসি দেখতে চায়। আজ অসুখের কাছে হার মেনে বিছানায় সারাদিন কাটাতে হচ্ছে তাকে। দলীয় নেতা কর্মীরা তার কোন খোঁজ-খবর তেমন নিচ্ছেনা। দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সুদৃষ্টি কামনা করে সাধারণ জনগণ আফসোস করে বলে, এখনই সময় মজুর পরিবারের জন্য কিছু একটা করার!  তার এক মাত্র শিক্ষিত বেকার ছেলেকে কর্মসংস্থানের সুযোগ দিলে কমরেড মজু মরেও যেন তার আতœা শান্তি পাবে, তার ছেলের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে বলে-বাবার চিকিৎসার জন্য কুড়ি হাজার টাকার মত পাটি সহযোগীতা দিয়েছে। মাঝে মধ্যে এমপি ইয়াসিন চাচা ও মাহমুদুল হাসান মানিক (মামা) খোঁজ নেয়, সকল কমরেড যদি তার সাথে মাঝে মধ্যে দেখা করে, তাহলে মানসিক ভাবে সুস্থ থাকবে। একে, এম, আজিজুল হক মজু মুন্সির পরিবার তার শারীরিক সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য