আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও করতোয়াসহ সবগুলো নদীর পানি অব্যাহতভাবে কমতে থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। ফলে সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা, গোবিন্দগঞ্জ, সাদুল্লাপুর ও সদর উপজেলার চরাঞ্চল থেকে পানি নেমে যাচ্ছে।

এসব এলাকার বেশিরভাগ ঘরবাড়ি থেকে পানি নেমে গেলেও এখনও অনেক বাড়িঘর পানিতে নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে। ফলে বাঁধসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় গ্রহণকারি বন্যার্ত মানুষরা ঘরে ফিরে যেতে পারছে না। তাছাড়া তাদের অনেকেই আবার নতুন করে বন্যার আশংকা করছে। তাই ঘরবাড়িতে ফিরে যেতে তারা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছে।

জেলা প্রশাসনের দেয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী জেলার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা, সাদুল্লাপুর, গোবিন্দগঞ্জ ও সদর উপজেলাসহ ৬টি উপজেলার ৪৪টি ইউনিয়নে বন্যা কবলিত হয়েছে। এসব এলাকার ২ লাখ ৫০ হাজার ৭৮৬ ব্যক্তি বন্যার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বন্যার কারণে ৩৫ হাজার ৫৫১টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

এদিকে জেলা ত্রাণ দপ্তর জানিয়েছে এ পর্যন্ত বন্যার্তদের মধ্যে ৫১০ মে. টন চাল, ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৫ হাজার ৬৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ব্রহ্মপুত্রের পানি ৪০ সে.মি. উপরে এবং ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ২৬ সে.মি. উপর দিয়ে বইছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য