নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তার পানি আবারো বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তা অববাহিকায় নতুন করে ফের বন্যা দেখা দিয়েছে।

বুধবার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার (৫২ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার) ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এবং পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

পানি বৃদ্ধির কারণে উপজেলার খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, গয়াবাড়ী, ঝুনাগাছ চাপানী, খালিশা চাপানী ও পূর্বছাতনাই ইউনিযনের কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ভাঙ্গনের কবলে পড়ে শতাধিক পরিবার বাড়ি ঘর ভেঙ্গে উঁচু জায়গায় ও বাধে আশ্রয় নিয়েছে। ভাঙ্গন রোধে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের পক্ষ হতে টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নে ২হাজার, খালিশা চাপানী ইউনিয়নে ৩শ ও ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নে ১শ জিও ব্যাগ ও পানিবন্দিদের মাঝে ২শ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধায় তিস্তার পানি বিপদসীমার(৫২দশমিক ৩৫সেন্টিমিটার)২৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বুধবার সকাল হতে বিকেল পর্যন্ত তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার(৫২দশমিক ৭০সেন্টিমিটার)১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এবং পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে দিয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া বিভাগের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (পাউবো)।

ডালিয়া (পাউবো) ডালিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, উজানের ঢল ও বৃষ্টিপাতের কারণে বুধবার বিকেল পর্যন্ত তিস্তার পানি বিপদসীমার (৫২দশমিক ৭০সেন্টিমিটার) ১০ সেন্টিমিটার উপড় দিয়ে প্রবাহিত হয়। এবং পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে দেয়া হয়েছে এবং আমরা সব সময় সতর্কবস্থায় রয়েছি। এ ছাড়া ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পানিবন্দিদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরন করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য