দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ত্রাণ কমিটির সদস্য সচিব ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল বলেছেন, এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন ছিলেন একজন সৎ, নির্ভিক ও সাহসী নেত্রী। শুধু তাই না, তিনি ছিলেন আইনাঙ্গনের একজন বিচক্ষণ প্রতিভা। শেষ জীবনে সফলভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিচালনা করে প্রমাণ করেছেন, তিনি নিলোর্ভ একজন সাদা মনের রাজনীতিক।

এমন প্রতিভা বা এমন নেতা-নেত্রী কালে কালে জন্ম নেয়। আবার কালে গর্ভে হারিয়ে যায়। এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন ছিলেন গণমানুষের পরম নেতা। সেজন্য তার এলাকার তিনি টানা ২ বার সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হন। তিনি তার জীবন-যৌবন দিয়ে আওয়ামী লীগকে চার চার বার ক্ষমতায় এনেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যখন অসাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার সাবজেলে পুরেছিল। তখন আইনজীবীরা শেখ হাসিনার পক্ষে দাঁড়াতে সাহস করছিল না।

সে সময় এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন সাহস নিয়ে শেখ হাসিনার পক্ষে দাঁড়ানোর বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। এমন হাজারো নজির রয়েছে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার পক্ষে কাজ করার। শেখ হাসিনাও মানুষ চিনতে ভুল করেন না। তিনি কিছু বিশ্বস্ত মানুষকে সব সময় মূল্যায়ন করেছেন। এটি দূরদৃষ্টি নেতৃত্বের ফসল।

আজ শেখ হাসিনার যে নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, উনি মৃত্যুর মিছিলে দাঁড়িয়ে বার বার জীবনের জয়গান গেয়েছেন, উনি ধ্বংসস্তুপের ভাগাড়ে দাঁড়িয়ে বার বার সৃষ্টির পতাকা উড়ান। এমনই বিশ্বস্ত মানুষ ছিলেন প্রয়াত নেত্রী এ্যাড. সাহারা খাতুন। তাকে হারিয়ে আমরা শোকে মুহ্যমান। তবে এ শোককে শক্তিতে পরিণত করে তার রেখে যাওয়া কাজকে চুড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে আমরা বদ্ধপরিকর।

২০ জুলাই সোমবার বিকালে আইনজীবী সমিতি ভবনে প্রয়াত নেত্রী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার আয়োজনে এ স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, হাইকোর্ট ডিভিশনের এ্যাডভোকেট মোঃ হযরত আলী বেলাল, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে এ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম শাহীন। মুখ্য আলোচক ছিলেন দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাড. রবিউল ইসলাম রবি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য