আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি সোমবার পর্যন্ত এখনও বিপদসীমার অনেক উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি এখনও অপরিবর্তি রয়েছে।

পানি কমতে শুরু করায় বন্যা কবলিত জেলার গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙন শুরু হয়েছে।

নদী ভাঙনে ফুলছড়ি উপজেলার চর কাবিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঝানঝাইড় কমিউনিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম কালাসোনা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সাঘাটা উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এজন্য বিদ্যালয়টি ৪টি অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এছাড়া হুমকির মুখে পড়েছে জিগাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চৌমোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

এদিকে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার বাড়িঘরে এখনও হাটু থেকে কোমর পানি থাকায় মানবেতর জীবন যাপন করছে পানিবন্দী চরাঞ্চলের মানুষগুলো। দ্বিতীয় দফায় বন্যায় নদী ভাঙনে ৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।

এছাড়া হুমকির মুখে পড়েছে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বন্যার পানি দীর্ঘ স্থায়ী হওয়ায় ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ও ফজলুপুর ইউনিয়নের চরগুলোর পানিবন্দি মানুষেরা চরম দুর্ভোগে রয়েছে। ফলে মানুষরা গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বিপদসীমার ৭৪ সে.মি. এবং ঘাঘট নদীর পানি ৫১ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য