ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে দিন দিন বেড়েইে চলেছে করোনায় আক্রান্তে সংখ্যা, গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৮জনসহ এই উপজেলায় মোট ৪১জন আক্রান্ত হয়েছে, তবুও নেই কোন সচেতনা।

এদিকে করোনায় আক্রান্ত ব্যাক্তিরা তথ্য গোপন করে প্রকাশ্যে ঘুরাফিরা করায় করোনা সংক্রমন আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র সুত্রে জানা গেছে গত ২৪ ঘন্টায় একই পরিবারের ৪জনসহ ৮জনের করোনা পজেটিভ রিপোট এসেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার হাসানুল হোসেন বলেন, এই প্রর্যন্ত ফুলবাড়ী উপজেলায় ৪১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে, এদের মধ্যে ২৪জন সুস্থ্য হয়েছে ও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি ১৪জন আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

তিনি বলেন গত ২৪ ঘন্টায় যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তারা হলেন, নিমতলা মোড়ে একই পরিবারের ৪জন, উত্তর সুজাপুর গ্রামে একজন, মধ্য সুজাপুর গ্রামে একজন, পশ্চিম গৌরীপাড়া গ্রামে একজন ও কাটাবাড়ী গ্রামে একজন। করোনায় আক্রান্ত ব্যাক্তিদের বাড়ী লকডাউন করা হয়েছে বলে তিনি নিশ্চত করেন।

এদিকে মৃত্যুর তিন দিন পর ফলাফল এসেছে, গত ৮ জুলাই করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণকারী পৌর শহরের পশ্চিম গৌরীপাড়া (নিমতলা মোড়) এর বাসীন্দা ব্যাবস্যায়ী আব্দুল হাকিম করোনায় আক্রান্ত ছিল। বর্তমানে আব্দুল হাকিমের পরিবারের স্ত্রী সন্তানসহ আরো চারজন করোয় আক্রান্ত। অথচ আব্দুল হাকিমের ব্যবস্যা প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা এখনো প্রকাশ্যে চলাচল করছে, তাদের নমুনাও পরিক্ষা করা হয়নি।

এছাড়া কাটাবাড়ী গ্রামের তৌহিদুজ্জামান করোনা পরিক্ষার নমুনা দিয়ে দির্ঘ ১৫দিন প্রকাশ্যে চলাচল করার পরে খবর আসে সে করোনায় আক্রান্ত, এর মাঝে একাধিক মানুষের সংস্পর্শে যাতায়াত করে তৌহিদুজ্জামান। গ্রামবাসীরা জানায় করোনার রিপোট না আসা প্রর্যন্ত তৌহিদুজ্জামান প্রকাশ্যে চলাচল হাট-বাজার করেছে। একই অবস্থা সৌখিন সু হাউজের ম্যানেজার সেলিম রেজা করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে সৌখির সু হাউজের যাতায়াতকারীদের।

করোনায় আক্রান্ত রোগীরা নমুনা দিয়ে ফলাফল না আসা প্রর্যন্ত একাধিক মানুষের সাথে চলাচল করায় করোনা সংক্রমন আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার হাসানুল হোসেন জানতে চাইলে, তিনি বলেন ইতোপুর্বে নমুনা সংগ্রহ করার সময় কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দেয়া হত, কিন্তু তারা পরামর্শ না মেনে চলাচল করেছে। এই কারনে এখন নমুনা সংগ্রহের সময়, নমুনা প্রদানকারীর মুসলেকা নেয়া হচ্ছে, যদি তারা কোয়ারেন্টিন উপেক্ষা করে বাহিরে বের হয, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের সংক্রমন প্রতিরোধ আইনে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য