ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে সরকারের সামাজ্যিক উন্নায়ন কর্মসূচি বয়স্ক-বিধুবা ভাতা বিতরনে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যর আস্থাভাজন হওয়ায়, রওশন আরা বেগম নামে এক মহিলার স্বামী জিবীত থাকার পরেও বিধুবা হিসেবে তার ভাতা প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটেছে। ভাতাপ্রাপ্ত রওশন আরা বেগম দৌলতপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়াডের কুশলপুর গ্রামের আকবর আলীর স্ত্রী। তার স্বামী আকবর আলী একজন উপর্জন সক্ষম ব্যাক্তি। রওশন আরা বেগমের বহি নং ২৯০৯।

রওশন আরা বেগমের পুত্রবধু আলতাবানু বলেন তার শশুর আকবর আলী জিবিত এবং একজন সুস্থ্য সবল ব্যাক্তি, তিনি চেয়ারম্যানের কাছের ব্যাক্তি হিসেবে পরিচিত তাই চেয়ারম্যান এই ভাতার করে দিয়েছে, তাদের ৫বিঘা জমিও রয়েছে, আছে পাকা টিনসেট বাড়ী।

অথচ দৌলতপুর ইউনিয়নে খোজ নিয়ে জানা গেছে অনেকে ১০-১৫ বছর থেকে বিধুবা হয়ে রয়েছে, চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের বাড়ীতে যেতে যেতে হাফিয়ে উঠেছেন কিন্তু তাদের আজো কোন ভাতা হয়নি। দৌলতপুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ মন্ডল ক্ষমতাশীন দলের প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় ভয়ে তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে চায়না কেউ।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে দৌলতপুর ইউপি সচিব অসহায়ের ন্যায় বলেন এখানে কখন কি সিদ্ধান্ত চেয়ারম্যান নেয় তা কিছুই তাকে জানানো হয়না। নিরাপত্তার ঝুঁকিতে তিনি কোন প্রতিবাদও করতে পারেননা।

এই বিষয়ে দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ মন্ডলের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ভুল বশত বিধুবা ভাতা দেয়া হয়েছিল, এখন সংশোধন করে বয়স্ক ভাতা করা হয়েছে।

এই বষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আখতারুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বয়স্ক-বিধুবা ভাতা প্রদানে ইউপি চেয়ারম্যানগণ ওই এলাকার সভাপতি, এই জন্য চেয়ারম্যানদের দেয়া প্রস্তাবে চুড়ান্ত হিসেবে তারা গ্রহন করে থাকানে। তিনি বলেন ভুর ত্রুটি যদি করেন তাহলে এর দায়দয়িত্ব চেয়ারম্যানদের।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য