ফোন, ল্যাপটপ কিংবা টিভি- অতিরিক্ত ব্যবহারে দৃষ্টিশক্তির ক্ষয় রোধ করতে চাই বাড়তি সতর্কতা।

সুস্থ থাকতে ও সামাজিক দূরত্ব রক্ষার্থে বেশিরভাগ সময় কাটছে বাসায়। শিক্ষার্থীদের চলছে অনলাইন ক্লাস। তাই কাজ কিংবা বিনোদনের প্রধান মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে ল্যাপটপ, টিভি কিংবা ফোন।

ফলে দৃষ্টিশক্তির ওপর চাপ পড়ছে। আর এই পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে যাওয়ার উপায়ও নেই আপাতত।

তাই এই সময়ে চোখের যত্নে চাই বাড়তি আয়োজন।

স্বাস্থ্য-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে চোখের যত্ন নেওয়ার কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জানানো হল।

– চোখে লালচেভাব, চুলকানি, শুষ্কতা, দুর্বলতা, পানি পড়া, কালো দাগ ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিলে তার উপযুক্ত চিকিৎসা করানো প্রয়োজন।

– চোখ ভালো রাখতে বৈদ্যুতিক পর্দার দিকে তাকিয়ে কাজ করার সময় ২০ মিনিট পর পর অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য চোখকে বিশ্রাম দিন। অর্থাৎ আলো থেকে দূরে থাকুন। এতে চোখের অস্বস্তি কমবে এবং দৃষ্টিশক্তি ক্ষতি হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে।

– ‘অ্যান্টি-গ্লেয়ার’ চশমা ব্যবহার করুন, এটা চোখকে স্ক্রিন (কম্পিউটার, স্মার্ট ফোন, এমনকি গেইম খেলার সময়েও) থেকে বিচ্ছুরিত ক্ষতিকারক নীল রশ্মি থেকে রক্ষা করে। ডিজিটাল চাপ থেকে চোখকে রক্ষা করার এটা অন্যতম উপায়।

– খাবার তালিকায় সবজি ও ফল যোগ করুন। গাজর চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে কারণ এতে আছে ভিটামিন এ। এছাড়াও, অন্যান্য ভিটামিন সমৃদ্ধ সবজি যেমন- ব্রকলি, পালংশাক ও মিষ্টি আলু খাবার তালিকায় যোগ করুন।

– চোখে জ্বালাপোড়া হলে বা কোনো অস্বস্তি দেখা দিলে গোলাপ জলের ঝাপটা দিন। আরাম অনুভব করবেন।

– চোখে ঠাণ্ডা কিছু দিয়ে চাপ দিন। একটা পরিষ্কার কাপড় ঠাণ্ডা পানিতে ডুবিয়ে তা চোখ বন্ধ অবস্থায় চোখের ওপর রেখে দিন। এভাবে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এটা কার্যকরভাবে চোখ শীতল রাখতে সহায়তা করে।

– চোখে সমস্যা থাকলে যদি লেন্স বা চশমা পরতে হয় তাহলে বাইরে যাওয়ার সময় চশমা পরাই বেশি ভালো; লেন্স নয়। কেননা বলা হচ্ছে যে, এই ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। তাই কোনোভাবে যদি এই বিন্দু কণা চোখে প্রবেশ করে তাহলে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই সতর্ক থাকতে চশমা পরাই নিরাপদ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য