দিনাজপুর সংবাদাতাঃ  জ্বর, সর্দি, হাঁচি ও কাশি নিয়ে গত ১৩ জুন নমুনা দেওয়ার ১৫ দিন পর সাংবাদিক ধীমান দাসের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে।

তাঁর বাড়ি উপজেলার পাকেরহাট গ্রামে। তিনি সাংবাদিকতা ছাড়াও উপজেলা প‚জা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও আঙ্গারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। রোববার রাতে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর উপজেলা প্রশাসন তাঁর বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করেছে।

ধীমান দাসের পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি করোনা প্রাদুর্ভাবে আওয়ামী লীগ ও প‚জা উদযাপন পরিষদের ব্যানারে ত্রাণ বিতরণ সহ প্রভৃতি কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন। নমুনা দেওয়ার পর তিনি ৫/৭ দিন অসুস্থ ছিলেন। এরপর তিনি ও তাঁর পরিবারের সকল সদস্য বর্তমানে পুরোপুরি সুস্থ রয়েছেন বলে দাবি করেন।

করোনা রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত মেডিকেল টিমের টিমলিডার ডাঃ ফারুক আহমেদ রিজওয়ান জানান, ধীমান দাসের রিপোর্ট আসার পর তাঁকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ও স্বাস্থ্য বিধি মেনা চলার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

রিপোর্ট বিলম্বের বিষয়ে তিনি বলেন, দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর মেশিনে প্রতিদিন ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা যায়। কিন্তু দিনাজপুর, নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলা থেকে প্রতিদিন অধিক সংখ্যক নমুনা আসায় রিপোর্ট পেতেও বিলম্ব হচ্ছে। এতে পিসিআর মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে এই সংকট দ্রুত সমাধান হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য