কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাত ও উজানের পাহাড়ি ঢলে ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া অব্যাহত আছে বারোমাসিয়া ও নীলকমল নদীর পানি বৃদ্ধি। ইতিমধ্যে ধরলা ও বারোমাসিয়ার তীরবর্তী চরাঞ্চলের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়েছে।

সরেজমিন, উপজেলার ভাঙ্গামোর ইউনিয়নে রাঙ্গামাটি ও খোচাবাড়ী এলাকায় সাত শতাধিক পরিবার, বড়ভিটা ইউনিয়নের চরধনীরাম এলাকায় দুই শতাধিক পরিবার, ফলবাড়ী সদর ইউনিয়নের প্রাণকষ্ণ এলাকায় দেড়শতাধিক পরিবার, শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের চর-জতিন্দ্র নারায়ণ ৭০, চর-সোনাইকাজী ৮০ ও সোনাইকাজী এলাকার শতাধিক পরিবারসহ চার ইউনিয়নে প্রায় দেড় হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। ডুবে গেছে পাট, ভুট্টা, সবজি ক্ষেত, বিভিন্ন বীজতলা ও আউশ ধান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুর রহমান জানান ,ধরলার তীরবর্তী মানুষদের খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে প্রতিটি এলাকায় পানিবন্ধী পরিবারগুলোর তালিকা করে জেলায় পাঠানো হচ্ছে। তারপরেও প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত আছে। আশা করছি আজকালের মধ্যে পানিবন্দি পরিবারগুলোর মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতারণ করা হবে।

কুড়িগ্রামের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, আগামী দুই একদিনের মধ্যে ধরলার পানি কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য