আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধায় করোনা টেষ্টের ল্যাব স্থাপনসহ আইসোলেশন সেন্টারে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য প্রদানের দাতিতে পৃথক দুটি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২১ জুন (রোববার) দুপুরে বাম গণতান্ত্রিক জোট, গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং নিরাপদ চিকিৎসা চাই গাইবান্ধা জেলা শাখার আয়োজনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা উপজেলায় করোনা টেস্টিং ল্যাব স্থাপনসহ ১১দফা দাবিতে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মিহির ঘোষ, জেলা সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, বাসদ গাইবান্ধা জেলা কমিটির সদস্য সুকুমার মোদক, বাসদ মার্কসবাদী জেলা সদস্য নিলুফার ইয়াছমিন শিল্পী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, শুরু থেকে গাইবান্ধা জেলা করোনার ঝুঁকিপূর্ণ হলেও আজ পর্যন্ত জেলায় করোনা টেস্টিং ল্যাব স্থাপন না হওয়া স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেহাল দশা জনগণের সামনে উন্মোচন করেছে। সেই সাথে বক্তারা, গাইবান্ধার আইসোলেশন সেন্টারের অব্যবস্থাপনার তীব্র প্রতিবাদ জানান। এছাড়া গাইবান্ধা আইসোলেশন সেন্টারে থাকা রোগীরা অভিযোগ করছে সকালের খাবার দুপুরে দেয়া হয়, নেই বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা। বক্তারা অবিলম্বে গাইবান্ধায় করোনা টেস্টিং ল্যাব স্থাপন ও আইসোলেশন সেন্টারের অব্যবস্থাপনা দূর করে করোনা রোগীসহ সকল রুগীর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জোড় দাবি জানান।

অপরদিকে নিরাপদ চিকিৎসা চাই গাইবান্ধা জেলা শাখার আয়োজনে শহরের ডিবি রোডস্থ সংগঠনটির গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি মাহবুব উল হাসান রিপনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের গাইবান্ধা সভাপতি আলমগীর কবির বাদল, সিনিয়র সহ সভাপতি সহ-সভাপতি নাজিম আহমেদ রানা, নিরাপদ চিকিৎসা চাই গাইবান্ধা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রমানাথ বর্মন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদ হাসান জাহিদ কামাল অলিক, সদস্য হারুন-অর রশিদ হারুন, সাংবাদিক শামীম আল সাম্য,কায়সার প্লাবন, ফারহান শেখ, রিক্ত প্রসাদ, সঞ্জয় সাহা, প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বিভিন্ন দাবী তুলে ধরে বলেন- করোনা টেষ্টের ল্যাব স্থাপনসহ আইসোলেশন সেন্টারে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার, পানি, পরিস্কারপরিছন্ন পরিবেশ থাকতে হবে। নৌ পথে এ্যাম্বুলেন্স আইন বাস্তবায়ন করা। সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট, প্যাথলজিষ্ট পর্যাপ্ত পরিমানে নিয়োগ দেয়া। সরকারি হাসপাতালে এজেন্ট, দালাল প্রতিরোধ গ্রহনের আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য