আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধা জেলা শহরের থানাপাড়ায় কিশোরী এক গৃহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগে গাইবান্ধা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ইউনুস আলী বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় মঙ্গলবার রাতে একটি মামলা (নং ৩৫, তারিখ ৯ জুন) দায়ের করা হয়েছে। ওই কিশোরীর দাদি মালেকা বেওয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করে।

শিক্ষক ইউনুস সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের নওহাটী চাচিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমান হবিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় নির্যাতিতার স্বজন ও এলাকার সচেতন মানুষ অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে অবিলম্বে গ্রেফতার করে তার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করে।

থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গাইবান্ধা পৌরসভার থানাপাড়ায় শিক্ষক ইউনুস একটি বাসা ভাড়া নিয়ে পরিবার-পরিজন সহ বসবাস করতো এবং গাইবান্ধা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতো।

সে একই উপজেলার নওহাটি চাচিয়া গ্রামের মুকুল মিস্ত্রির ১৫ বছরের কিশোরী মেয়ে (মিতু আকতার, বয়স ১৫) কে গৃহ পরিচারিকার কাজ করতে জেলা শহরের থানাপাড়া বাসায় নিয়ে আসে।

সেখানে ওই কিশোরীকে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ির লোকজনের আড়ালে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন পর্ন ছবি দেখাতো। এছাড়া ওই কিশোরীকে ফুসলিয়ে ও নানা প্রলোভন দেখিয়ে ২০২০ সালের মার্চের ১১ তারিখ থেকে তাকে জোর পূর্বক বিভিন্ন সময়ে একাধিক দিন ধর্ষণ করে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ধর্ষক শিক্ষক ইউনুস আলী মামলার বাদি মালেকা বেওয়ার আপন ভাতিজা। সেই সুত্রে ধর্ষিত কিশোরীটি সম্পর্কে ওই শিক্ষকের ভাতিজি।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খান মো. শাহরিয়ার জানান, এ ঘটনায় কিশোরীর দাদি একটি অভিযোগ করেছে। পরে একটি মামলা রুজু হয়েছে। আাসামি ইউনুস আলীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য