যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যায় উত্তাল বিশ্বের কয়েকটি দেশ। শনিবার বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন ১৪ জন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন লন্ডনের পুলিশ প্রধান ক্রেসিদা ডিক। রবিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিক। খবর: রয়টার্স।

মিনিয়াপলিসে জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যার পরে হাজার হাজার মানুষ পুলিশ বর্বরতার প্রতি তাদের ক্ষোভের ডাক দেওয়ার জন্য শনিবার অল্প সংখ্যক বিক্ষোভকারী মাউন্ট পুলিশের সাথে সংক্ষিপ্ত সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল।

মেট্রোপলিটন পুলিশ সার্ভিসের কমিশনার এক বিবৃতিতে জানান, আমি গভীর শোক ও হতাশায় আছি যে গতকাল সন্ধ্যায় মধ্য লন্ডনে প্রতিবাদকারীদের একটি সংখ্যালঘু কর্মকর্তাদের প্রতি সহিংস হয়ে উঠেছিল। এর ফলে ১৪ জন কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ হেফাজতে মারা যান জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবক। সেইদিনই পুলিশ তাকে আটক করেছিলো। এরপর হাঁটু দিয়ে জর্জের গলা চেপে ধরেন পুলিশ। এভাবে অন্তত আট মিনিট তাকে মাটিতে চেপে ধরে রাখা হয়।এক প্রত্যক্ষদর্শীর তোলা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জর্জ ফ্লয়েড নিঃশ্বাস না নিতে পেরে কাতরাচ্ছেন এবং বারবার একজন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তাকে বলছেন, ‘আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না।’

এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয় মুহূর্তেই। প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে হাজার হাজার মানুষ। প্রথম দিকে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকলেও ধীরে ধীরে তা সহিংসতায় রূপ নেয়।এই সহিংস আন্দোলন ঠেকাতে বিতর্কিত কার্যকলাপ শুরু করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আন্দোলনকারীদের ভয় কখনো বাঙ্কারে গিয়ে লুকিয়েছেন ট্রাম্প, আবার কখনো হিংস্র কুকুর এবং ভয়ঙ্কর অস্ত্র দিয়ে আন্দোলন দমানোর কথা শুনিয়েছেন তিনি। এছাড়াও আন্দোলন দমাতে ওয়াশিংটনে সেনাও নামান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য