আচার – চাটনি নিয়ে আমাদের আগ্রহের শেষ নেই। আর ঝড় বৃষ্টির পরে, বাজারে এখন কাঁচা আম উপচে পড়ছে। এখন যদি কাঁচা আম দিয়ে আচার বা চাটনি তৈরী করে রাখি, তাহলে খেতে পারবো বছর জুড়ে। আমার চ্যানেলে অনেকগুলি আমের আচারের রেসিপি আছে, এবার দেখাচ্ছি খুব সহজভাবে কাঁচা আম দিয়ে চটপটা চাটনি তৈরীর পদ্ধতি।

 

 

তৈরী করতে লাগছে –
▶ বড় সাইজের আম ৪ টি
▶ সরিষার তেল ০.২৫ কাপ
▶ পাঁচ ফোড়ন ১ চা চামুচ
▶ রসুন কুচি ১ টেবিল চামুচ
▶ আদা কুচি ১ টেবিল চামুচ
▶ বিট লবণ ১ টা চামুচ
▶ লবণ ০.৫ চা চামুচ
▶ চিনি ০.৫ কাপ
▶ আধা ভাঙ্গা শুকনো মরিচ ১ টেবিল চামুচ
▶ সাদা ভিনেগার ১ টেবিল চামুচ

✔ চাটনিটি টক, টক মিষ্টি, কাঁচা মিঠা সহ যে কোনো আম দিয়ে করা যাবে, আপনি যেমন আম নেবেন, চাটনির টেস্ট সেরকমই হবে। অনেক সময় বাজার থেকে কাঁচা আম কিনে এনে দেখা যায় একটু পেকে যাওয়ার মতো হয়েছে, এই চাটনিটা সেরকম আম দিয়েও করা যাবে।

✔ আম যদি খুব বেশী টক হয় তাহলে তৈরী করার সময় চিনি, মরিচ ও লবণ বাড়িয়ে দিয়ে টক ব্যালেন্স করতে পারেন।

✔ কাঁচ ছাড়াও আপনারা প্লাস্টিকের বৈয়মে বা এয়ার টাইট বাক্সে চাটনি সংরক্ষণ করতে পারবেন, সেইক্ষেত্রে BPA Free প্লাস্টিকের বৈয়ম/বাক্স নেবেন। এই বিষয়ে দোকানদারের সাথে কথা বলে নিতে পারেন।

চাটনি বেশীদিন ভালো রাখতে চাইলে এই প্রসেসগুলি ফলো করুন –

🚫 যে কোনো চাটনি কখনো হাত দিয়ে ধরবেন না।

🚫 চাটনিতে কখনো ভেজা চামুচ ঢোকাবেন না।

🚫 খাওয়ার জন্য চাটনি বের করেছেন, কিন্তু খেয়ে শেষ করতে পারেন নাই, সেটা আবার বৈয়মে ঢুকিয়ে রাখবেন না। বরং আলাদাভাবে ফ্রিজে রেখে দিন, পরে খেয়ে ফেলুন।

🚫 চাটনি যে চামুচ দিয়ে তুলবেন, সেটা হাত দিয়ে ধরলে বা মুখে দিলে আবার চাটনিতে ঢোকাবেন না।

🚫 চাটনিতে অন্য ব্যবহারি চামুচ ঢোকাবেন না। যেমন তরকারির ঝোল ওয়ালা চামুচ ঢোকাবেন না।

🚫 ফ্রিজে চাটনি রাখলে, বৈয়ম ফ্রিজে রেখেই ঢাকনা খুলে খাওয়ার জন্য অন্য বাটিতে পরিবেশন করে নিয়ে ঢাকনা বন্ধ করলে চাটনি বেশী ভালো থাকে। চাটনির বৈয়ম যখন ফ্রিজ থেকে বের করে বাহিরে নেবেন, বাতাসের আর্দ্রতায় ঠান্ডা বৈয়ম ও চাটনি ঘেমে যাবে, পরে ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখলে ঐ আর্দ্রতার পানিতেই চাটনিতে ছত্রাক চলে আসবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য