জঙ্গি গোষ্ঠী আল কায়েদার উত্তর আফ্রিকা প্রধান আবদেল মালেক দ্রাউকদেলকে হত্যার দাবি করেছে ফ্রান্স। সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে এই জঙ্গি নেতাকে খুঁজতে থাকার পর মালিতে এক অভিযানে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফরাসি সেনাবাহিনী। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

আফ্রিকায় আল কায়েদা ও আইএস বিরোধী লড়াইয়ে গতি আনতে ছয় মাস আগে মৌরিতানিয়া, মালি, বুরকিনা ফাসো, নাইজার ও চাদের সঙ্গে যৌথ সেনা অভিযান চালানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রন। ওই ঘোষণার পরই আল কায়েদার এক শীর্ষ নেতাকে হত্যার কথা সামনে এলো।

ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক মন্ত্রী ফ্লোরেন্স পার্লি টুইটারে লিখেছেন, ‘গত ৩ জুন ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী স্থানীয় সহযোগীদের সমর্থনে উত্তরাঞ্চলীয় মালিতে এক অভিযানের সময় বেশ কয়েকজন সহযোগীসহ আল কায়েদার ইসলামিক মাগরিবের আমির আবদেল মালেক দ্রাউকদেলকে হত্যা করেছে।’

আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে এক সময় উপনিবেশিক শাসন ছিল ফ্রান্সের। ওই এলাকায় ফ্রান্সের বর্তমানে পাঁচ হাজারের বেশি সেনা মোতায়েন রয়েছে। গত মার্চে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ফরাসি ‘সেনা দখলদারিত্বের’ অবসান ঘটাতে সাহেল অঞ্চলের সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানায় আবদেল মালেক দ্রাউকদেল।

আলজেরীয় বংশোদ্ভূত দ্রাউকদেলকে উত্তর আফ্রিকার সবচেয়ে অভিজ্ঞ যোদ্ধা মনে করা হয়। ২০১৩ সালে উত্তর মালি থেকে বিতাড়িত হওয়ার আগে সেখানে আল কায়েদার দখলদারিত্বে অংশ নেয় এই যোদ্ধা। ফরাসি সেনা অভিযানে সেই দখলদারিত্বের অবসান ঘটলে গোষ্ঠীটির যোদ্ধারা সাহেল অঞ্চল জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ধারণা করা হতো আলজেরিয়ার পার্বত্য এলাকায় লুকিয়ে ছিল দ্রাউকদেল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য