দিনাজপুর সংবাদাতাঃ করোনা পরিস্থিতির কারণে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবছর মৌমুমি ফলের বাজার স্থানান্তরিত করে বড় মাঠে নিয়ে আসা হয়েছে। বেচাকেনা জমে উঠেছে। ভোর ৬টা থেকে মাঠের নির্দিষ্ট স্থানে লিচু আসা শুরু হয় বেচাকেনা চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

জেলার বাভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে এখানে লিচু আসছে। কেউ আনছে রিক্সাভ্যানে, কেউ আনছে ইজিবাইক ভর্তি করে, আবার কাছাকাছি কেউ কেউ নিজ বাগানের লিচু সাইকেলে করে নিয়ে আসছে।

জনসাধারনের স্বাস্থ্য ঝুকির কথা চিন্তা করে বাজার স্থানাস্তরিত করা হলেও, সরেজমিনে দেখা যায় সেখানে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি কেউ মানছেনা, শত শত পাইকার বিক্রেতা লিচু বেচাকেনা করছে। যাদের কারোই মুখে মাস্ক দেখা যায়নি, সামাজিক দুরত্ব যেন এখানে চিন্তাই করা যায় না।

দিনাজপুর জেলার বিখ্যাত মৌসুমি ফল লিচু কিনতে দেশের অনেক জেলা থেকে পাইকার এসেছে। যাদের শরিরে কোভিড-১৯ থাকতে পারে। কিন্তু বাজারে অজস্র মানুষের মধ্যে কে স্থানীয় আর কে বাহির থেকে এসেছে তা নির্ধারন করা সম্ভব নয়। তাদের গাদাগাদি করে বিচরণ দেখে মনে হয়নি দেশে করোনাভাইরাসের মহামারি বিরাজ করছে।

ঢাকা থেকে লিচু কিনতে আগত পাইকারি ক্রেতা বসির আলিকে মাক্স না পরার কারন জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন দিনাজপুরে এখনও তেমন করোনা আসেনি তাই একটু খোলা বাতাসে দম নিচ্ছি। তার শরীরেই ভাইরাস থাকতে পারে তা থেকে অন্য কারো শরীরে ছড়াতে পারে বললে তিনি বলেন, তিনি প্রতিদিন সকাল বিকাল গোসল করেন। এধরনের অসচেতন উত্তর এখানে আসা অনেক পাইকারের কাছ থেকে পাওয়া য়ায়।

আজ ৩ জুন বুধবার দুপুরে দিনাজপুর বড় মাঠের স্থানান্তরিত লিচু সহ মৌসুমি ফলের প্রধান বাজার ঘুরে স্বাস্থ্যবিধির হযবরল অবস্থা দেখা যায়। দিনাজপুর লিচুর বাজার যেন করোনা ভাইরাস বিনিময় কেন্দ্রে পরিনত হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য