1 (FILEminimizer)বালিয়াডাঙ্গী(ঠাকুরগাও) প্রতিনিধি ॥ বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় প্রচুর পরিমাণে ধান ্উৎপাদন হলেও ধানের খড় ও পোয়াল বিক্রয় করে বেশ পুশিয়ে নিচ্ছে পাইকাররা। কারণ কৃষক সাধারণত খড় বা পোয়াল ধান মাড়ায়ের সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি করে দেয় পাইকারদের কাছে। পাইয়কাররা পোয়াল মজুত করে রেখে খরা মৌসুমে তা বিক্রি করে। তাই গত বছরের চেয়ে প্রতি পণ, খড় ও পোয়ালের মূল্য বর্তমান বাজারে অনেক বেশী, গতবারে ১২০-১৩০ টাকা পণ দরে বিক্রয় হলেও এবার ১৫০-১৮০ টাকা পর্যন্ত প্রতি পণ বিক্রয় করা হয়। ইহার কারণ হিসাবে জানা যায়, ছনের ঘর , টিনের চালা ঘর একই খরচ তাই গ্রামের মানুষ এখন আর ছনের ঘর দেয় না, তারা টিনের ঘরে বসবাস করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ মনে করে। শুধু মাত্র গরু, মহিষ এর খাওয়ানোর জন্য  ও জ্বালানী, জৈব স্যার, কৃষি কাজে, খড় ও পোয়াল ব্যবহৃত হচ্ছে। এই পোয়াল ও খড় দিয়ে তৈরী হচ্ছে কাগজ, তবে এই জেলায় বা উপজেলা থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কাগজ কল গুলোতে এই খড় বা পোয়াল সরবরাহ করা হচ্ছে। কাগজ কোম্পানী গুলো ও এলাকার পাইয়কাররা বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় লাহিড়ী হাট সহ বিভিন্ন হাট থেকে খড় ও পোয়াল ক্রয় করে নিয়ে যায়। খড়ের ব্যবসায়ী ভূজেন ও ফারুক বলেন যে, কাগজ মিল গুলি যদি পাইকারের কাছ থেকে ক্রয় না করে, কৃষকের কাছ থেকে সরাসরী ক্রয় করে তাহলে সাধারণ কৃষক লাভবান হবে এবং কৃষি কাজে আগ্রহ বেড়ে যাবে বলে সাধারণ মানুষের ধারণা। কৃষি অফিসার আনিসুর রহমান বলেন যে, অন্য জেলায় খড় ও পোয়াল সরবরাহ হওয়ায় এলাকার কৃষক লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও পাইকারদের দৌরাত্বে তা সম্ভব হয়ে উঠছে না।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য