ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ বৈশ্বিক দুর্যোগ করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে অফিস আদালত, হাট-বাজার ব্যাবস্যা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে পড়েছে। এর থেকে বাদ পড়েনি সিনোমা হল গুলো।

করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে গত দুই মাস থেকে সিনেমা হল গুলো বন্ধ থাকায়, বেকার হয়ে পড়েছে সিনেমা হলে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সিনোমা হলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা ব্যবস্যাযীরা। এছাড়া সিনেমা হল মালিকদের গুনতে হচ্ছে লাখ লাখ টাকা লোকশান।

সরজমিনে দেখা যায়,করেনা সংক্রমন রোধে গত দুই মাস থেকে বন্ধ রয়েছে উত্তর বঙ্গের বিলাশ বহুল দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার উর্বসী সিনোমা হল। ঈদের দিনে অনান্য বছর সিনেমা দেখা দর্শদের হুমড়ি খেতে দেখা গেলেও, এই বছর সেখানে নেই চিরচেনা সেই কোলাহল। সিনেমা হল বন্ধ থাকায়, বন্ধ রয়েছে সিনেমা হল প্রাঙ্গনে গড়ে উঠা দোকান পাট। একই অবস্থা উপজেলার অপর সিনেমা হল, অবকাশ সিনেমা ও পার্শবর্তি বিরামপুর উপজেলার, অবসর, উত্তরাসহ সকল সিনোমা হল।

এদিকে সিনেমা হল বন্ধ থাকায় বেকার হয়ে পড়েছে সিনেমা হলে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সাথে ব্যকার হয়ে পড়েছে সিনেমা হলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা ক্ষুদ্র ব্যবস্যায়ীরাও।

উর্বসী সিনেমা হল প্রাঙ্গনে ফল ব্যবস্যায়ী সুজন মিয়া বলেন, সিনেমা দেখতে এসে দর্শনার্থীরা দোকানে খরছ নিত, কিন্তু সিনেমা হল বন্ধ থাকায তার ব্যবস্যাও বন্ধ হয়ে পড়েছে, সুধু তাই নয়, তারমত এই সিনেমা হলকে কেন্দ্রকরে গড়ে উঠা সকলের ব্যবস্যা বন্ধ।

লাভলী ফুড ইন্ডঃ এর পরিচালক উপজেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নওশাদ আলম মুন্না বলেন,এই সিনেমা হলটি ফুলবাড়ীর একটি ঐতিহ্যবাহী সিনোমা হল হওয়ায়, গত কয়েক বছর থেকে সিনেমা হলের ব্যবস্যা মন্দা চললেও, তারা এই প্রতিষ্ঠানটিকে ধরে রেখেছেন। এই কারনে বৈশি^ক প্রদুর্ভাব করেনা ভাইরাসের কারনে সরকারী সিদ্ধান্তে গত দুই মাস থেকে সিনেমা হল পুরোপুরি বন্ধ থাকায়, অন্য ব্যবসার টাকা এনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনসহ অনান্য খরছ যোগান দিচ্ছেন। এছাড়া সিনোমা হল দির্ঘদিন বন্ধ থাকার কারনে সিনেমা হলের ডিজিটাল মেশিন অকেজো হয়ে পড়ছে। এই কারনে লোকশান আরো দিগুন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন বছরের অনান্য সময় সিনেমা হলের ব্যবসা মন্দা থাকলেও, ঈদের দিন থেকে এক সম্পতাহ ভাল ব্যবসা হত। কিন্তু করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে এই বছর ঈদেও সিনেমা হল বন্ধ থাকায় লোকশান আরো বাড়তে আছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য