কৃষিকে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এজন্য আউশ ধান, হাইব্রিড ধান, পাট, শাকসবজি, ডালজাতীয় শস্য ও ফলমূল আবাদে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে কৃষির যান্ত্রিকীকরণ, বাজারজাতকরণ ও বিপণনে গুরুত্ব দিয়ে ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। করোনার কারণে যেন খাদ্য সংকট না হয়, দেশে যেন দুর্ভিক্ষের মতো কোনো অবস্থা সৃষ্টি না হয়, মানুষ যেন খাদ্য কষ্টে না ভোগে, সেজন্যই এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’।

১৭ মে (রোববার ) গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় আভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল ক্রয়ের উদ্বোধনকালে একথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আমাদের মঙ্গলের জন্য রাজনীতি শিখিয়েছেন। বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে বর্তমান সরকার এক অন্যন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে’। ডেপুটি স্পীকার বলেন, ‘দেশের প্রতি ইঞ্চি জমি ব্যবহার করে খাদ্য শষ্য উৎপাদনে সরকার সকল প্রকার সহযোগিতা দিবে। ইতিমধ্যে সরকার কৃষকদের মাঝে আগামী আউশ ও পাট চাষের জন্য প্রনোদনা দিয়েছে’।

এসময় গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর কবীর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীর মহিউদ্দীন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক স্বপন কুমার ভট্রার্চায্যসহ উপজেলা আ.লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চলতি ইরি বোরো মৌসুমে সাঘাটা উপজেলায় ৫টি গুদামে ২৬ টাকা দরে ২ হাজার ৫শ’ ৯০ মেট্রিক টন ধান, ৩৬ টাকা দরে ২ হাজার ৪শ’ ৯৪ মেট্রিকটন সেদ্ধ চাল ও ১শ’ ৭২ মেটিকটন আতপ চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য