ইরান মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে হাজার হাজার টন গ্যাসোলিন রপ্তানি করছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনিজুয়েলায়। ইরানের তেল রপ্তানির পুরো কার্যক্রমকে মূলত সুরক্ষা দিচ্ছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা।

ট্যাংকার মনিটরিং গ্রুপের তথ্যানুযায়ী, অন্তত পাঁচটি ট্যাংকারে করে ভেনিজুয়েলায় ইরানি তেল নেয়া হচ্ছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এসব ট‍্যাংকার আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে ভেনিজুয়েলায় পৌঁছাবে। ইরান এবং ভেনিজুয়েলা দুই দেশের বিরুদ্ধে মার্কিন সরকার অবৈধভাবে একতরফা নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে।

তেল ট্যাংকার পরিচালনার ক্ষেত্রে ইরান ইচ্ছা করেই ট্যাংকারগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে রেখেছে এবং এ সমস্ত ট্যাংকার মার্কিন নৌবাহিনীর চোখের সামনে দিয়ে ভেনিজুয়েলার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন সেনারা ইরানি জাহাজকে বাধা দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরানি তেল ট্যাংকার

নিশ্চিত নয় এমন কয়েকটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইরানি জাহাজকে বাধা দেয়ার জন্য আমেরিকা ইউএসএস ডেট্রয়েট, ইউএসএস ল্যাসেন, ইউএসএস প্রিবেল এবং ইউএসএস ফারাগাট নামের যুদ্ধজাহাজ ক্যারিবীয় উপসাগরে মোতায়েন করে রেখেছে। এছাড়া বোয়িং পি-এইট পজিডন আকাশে বিমান টহল দিচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী নভেম্বর মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে ইরানি জাহাজে কোনো রকমের বাধা দিয়ে বা হামলা চালিয়ে নতুন কোনো ঝামেলা সৃষ্টি করতে চাইবে না ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। কোনো রকম ভুল করলে ইরান মারাত্মক প্রতিক্রিয়া দেখাবে।

এর আগে জিব্রাল্টার প্রণালীতে ইরানি তেলবাহী জাহাজ আটক করেছিল ব্রিটিশ নৌ বাহিনী। এর জবাবে পারস্য উপসাগরে ব্রিটেনের একটি তেলবাহী জাহাজ আটক করে ইরান। এছাড়া, ইরান ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে অত্যন্ত উন্নত অবস্থায় রয়েছে যার প্রমাণ তারা ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আইন আল-আসাদে হামলার মাধ্যমে স্পষ্ট করেছে। পার্সটুডে

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য