দিনাজপুর সংবাদাতাঃ ১০ মে রবিবার বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, দিনাজপুর জোন কর্তৃক পরিচালিত সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের উত্তর হরিরামপুর মৌজার ডি-২০ গভীর নলকূপ স্কীমে কৃষক মোঃ সাদিকুল ইসলামের জমিতে রোপিত ব্রি-২৮ বোরো ধানের ক্রপ কাটিং অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দিনাজপুরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ তৌহিদুল ইকবাল, বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকৌশলী মোঃ হাবিবুর রহমান খান, উচ্চতর উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ শহিদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দিনাজপুর সদর উপজেলার উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবু বোরহান ও মোঃ কামরুল হাসান প্রমুখ।

ক্রপ কাটিং এ দেখা যায় ব্রি-২৮ ধানের ফলন হেক্টর প্রতি ৬.৮৭ মেট্রিক টন (শুকনো) হয়েছে। গভীর নলকূপরে কৃষক মোঃ সাদিকুল ইসলাম, মোঃ আব্দুর গাফ্ফার, মোঃ সাইদুর রহমান, নুরুজ্জামান সহ উপস্থিত কৃষকদের সাথে আলোচনায় জানা যায়, বর্তমান করোনার প্রতিকুল অবস্থার মধ্যেও বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রচেষ্ঠায় নিরবিচ্ছিন্ন সেচ সুবিধা পাওয়ায় ভালো ফসল উৎপাদন হয়েছে।

সামনে কয়েকদিন যদি কোন বালামসিবত না হয় এবং কৃষক ফসল ঘরে তুলতে পারলে এবং বর্তমান যে বাজার দর আছে তা যদি স্থীর থাকে তবে তারা লাভবান হবেন সাথে সাথে করোনার কারনে যে ক্ষতি তা পুষিয়ে উঠতে পারবেন।

বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আহবানে এবং মাননীয় কৃষিমন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশনা ও মাননীয় চেয়ারম্যান বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ এর সার্বিক সহযোগিতায় কর্তৃপক্ষের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের করোনার এই মহামারী উপেক্ষা করে জীবন বাজী রেখে সেচ কার্যক্রম সচল রেখেছেন।

সরকার ঘোষিত ছুটির মাঝেও প্রতিনিয়ত গভীর নলকূপ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষন করে কৃষকদের সেচ সুবিধা সচল রাখা হয়েছে। বিএমডিএ দিনাজপুর জেলায়-১৬৮৮টি গভীর নলকূপের মাধ্যেমে ৬৮২০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের সেচ প্রদান করা হয়। নিরোবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকায় কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের পরামর্শে এবং উন্নত সেচ সুবিধা পাওয়ায় এবারে কৃষকদের ভালো ফলন হয়েছে।

উপ পরিচালক, দিনাজপুর জানান বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠ সেচ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হওয়ায় কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সার্বিক তদারকী করায় এবং কৃষকেরা সচেতন থাকায় দিনাজপুর জেলায় রোগ বালাই কম হওয়ায় বোরো ধানের ফলন ভালো হয়েছে।

ব্রি-ধান ২৮ কাটা শুরু হয়েছে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে আগাম জাতের ধান কাটা শেষ হবে। ভালো ফলন হওয়ায় এবং কৃষকেরা ন্যায্য মুল্য পাওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে গ্রামের কর্মহীন মানুষগুলো আবার কর্ম ফিরে পেয়ে কোরোনা মোকাবেলার শক্তি অর্জন করেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য