রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতাল থেকে আরও দু’জনকে ছাড়পত্র ত্র দেয়া হয়েছে। সাত দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মী আনিসুর রহমান এবং তের দিন পর ঠাকুরগাঁওয়ের মর্জিনা আক্তার ববিতা ছাড়পত্র পেয়ে নিজ নিজ বাসায় ফিরেছেন।

বুধবার (৬ মে) দুপুরে ওই দুই জনকে ছাড়পত্রসহ ফুলেল শুভেচ্ছায় বিদায় জানানো হয়। এ নিয়ে রংপুর ডেডিকেটেক করোনা আইসোলেসন হাসপাতাল থেকে ৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে করোনা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ রিফাত মাহমুদ জানান, গত ২৭ এপ্রিল রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মী আনিসুর রহমান (৫০) করোনা হাসাপাতালে ভর্তি হন। তিনি জ্বরে ভুগছিলেন। এরপর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার পর পর দু’বার নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে করোনা নেগেটিভ আসে। বুধবার ছাড়পত্র পেয়ে তিনি তার গ্রামের বাড়ি বদরগঞ্জে ফিরে যান।

এরআগে গত ২৩ এপ্রিল ঠাকুরগাঁওয়ের পৌর এলাকার টিকিয়াপাড়ার বাসিন্দা মর্জিনা আক্তার ববিতাকে রংপুর করোনা আইসোলেশন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। গোপনে গর্ভপাত করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে এসে ভর্তি হয়। সেখানে তার নমুনায় করোনা শনাক্ত হলে রংপুরে ভর্তি করা হয়। ববিতাকে তিনবার রক্ত দেয়াসহ গুরুত্ব সহকারে চিকিৎসা দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এরপর দুইবার নমুনা পরীক্ষায় রোনা শনাক্ত না হওয়ায় তাকেও ছাড়পত্র দেয়া হয়।

এদিকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়ে যাবার সময় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায় কসহ চিকিৎসকবৃন্দ আনিসুর ও ববিতাকে ফুল ও চিঠি দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি কড়তালি দিয়ে বিদায় জানান।

আজকের দুই জনসহ রংপুর ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেসন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন পাঁচজন। এদের মধ্যে দুইজন চিকিৎসক, একজন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। রংপুর জেলায় বর্তমানে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮৩ জন। এদের মধ্যে ডেডিকেটেক করোনা আইসোলেশন হাসপাতালের পাঁচজনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ৮ জন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য