করোনা মহামারিতে ব্রাজিলে দিন দিন বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এতে করে দেশটিতে দেখা দিয়েছে কফিন সংকট।

আর্ন্তজাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাজিলে করোনার উৎপত্তি হয় অ্যামাজন শহরের মানাউস থেকে। এরপর সেখানে কয়েক দিনের মধ্যেই এতো মানুষ মারা যায় যে শহরে কফিনের দীর্ঘ সারি হয়। দ্রুত কবর খনন করে লাশ একটার উপর একটা কবর দিতে থাকে। কিছু হতাশ স্বজনরা সেই কবরগুলিতে প্রিয়জনদের না দিয়ে মৃতদেহ পুড়িয়ে দেয়।

লাতিন আমেরিকার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ব্রাজিলে। সেখানে এখন পর্যন্ত ছয় হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে।

এ পরিস্থিতিতে রাজধানী সাও পাওলো থেকে বিমান যোগে কফিন আনার জন্য আবেদন জানিয়েছে দ্যা ন্যাশনাল ফিউনেরাল হোম অ্যাসোসিয়েশন। কারণ এখানে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই।

ব্রাজিলিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লরিভাল পানহোজ্জি মতে, মানাউস শহরে প্রায় ২ মিলিয়ন লোক বাস করে। এখান থেকেই মূলত প্রত্যন্ত অ্যামাজনে বসবাসকারী সম্প্রদায়ের লোকজন চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকে।

ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, অ্যামাজন রাজ্যেই করোনা ভাইরাসে ৪২৫ জন মারা গেছে। আর পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুসারে, পুরো ব্রাজিলে করোনা ভাইরাসে ৬৪১২ জন মারা গেছে। আর আক্রান্ত হয়েছে ৯২ হাজার মানুষ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য