কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত থানাহাট বাজারের কাঁচাবাজারটি ফাঁকা জায়গায় স্থানান্তর না করায় দিন দিন বাড়ছে উপচে পড়া ভীড় সেই সাথে করোনা সংক্রমণের ঝুকিতে রয়েছে উপজেলাবাসী।

ইতোমধ্যে উপজেলায় এক যুবকের শরীরে কোভিড-১৯ এর অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও এ পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিভাগ নমুনা সংগ্রহ করেছে মাত্র ১৬ জনের। সচেতন মহলের দাবি পর্যাপ্ত নমুনা পরীক্ষা না করায় ভিতরে ভিতরে করোনা সংক্রমণের বিপদ রেড়েই চলছে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রশাসন নির্বাক।

জানা গেছে, দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন এলাকা লকডাউনসহ জনসমাগম পরিহারের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় প্রতিষ্ঠিত বাজারগুলোতে জনসমাগম কমানোর লক্ষ্যে কাঁচাবাজার ফাঁকা জায়গায় স্থানান্তর করা হয়েছে। কিন্তু চিলমারী উপজেলা সদরে অবস্থিত থানাহাট বাজারের কাঁচা বাজারটি স্থানান্তর না করায় সেখানে দিন দিন জনসমাগম বৃদ্ধি পেয়েই চলছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সময় সীমা কমানোর ঘোঘণা দেয়া হলেও তা মানছে না ব্যবসায়ী এবং সাধারন মানুষ। বাজারটিতে প্রায় সময় যানজোট ও জনসমাগম লেগেই থাকে।

করোনা পরিস্থিতিতে দেশের বাহির ও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এলাকায় ফিরতে শুরু করায় সদর বাজারটিতে যানজট ও জনসমাগম পূর্বের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী। এই সংকট মুহুত্বে জনসমাগম বৃদ্ধি পাওয়ায় করোনা আতঙ্ক বেড়েই চলছে। বাজার করতে আসা অনেকে জানান খেতে তো হবে তাই বাজারে আসতে হচ্ছে, ভিড় হচ্ছে এটা সত্য।

ব্যবসায়ীদের অভিমত, বলে আর কি হবে, প্রশাসনের টহল আসলে সবাই আড়ল হয়। তারা চলে গেলে জনসমাগম সৃষ্টি হয়। তবে এই সংকটময় সময়ের জন্য কাঁচাবাজারটি সরিয়ে স্কুল কিংবা কলেজ মাঠে নিলে এবং সেই সাথে প্রশাসনিক নজরদারী বাড়ালে বাজারে জনসমাগম কমবে। সচেতন মহলের অভিমত প্রায় স্থানে জনসমাগম ঠেকাতে কাঁচাবাজারগুলো সরিয়ে নেয়া হলেও অজ্ঞাত কারনে থানাহাট সদর বাজারের কাঁচাবাজার না সরিয়ে নেয়ায় সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ ডব্লিউ এম রায়হান শাহ্ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে কথা হয়েছে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য