রংপুরে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় চালু করা হয়েছে ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেশন হাসপাতাল। এই হাসপাতালে রংপুর বিভাগের আট জেলার করোনা আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা সেবা পাবেন।

রোববার (১৯ এপ্রিল) বেলা সাড়ে এগারোটায় রংপুর সদর হাসপাতাল সংলগ্নে নবনির্মিত শিশু হাসপাতালে নতুন এই আইসোলেশন হাসপাতালের উদ্বোধন করা হয়। রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কে.এম তারিকুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেশন হাসপাতালটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

এসময় বিভাগীয়স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. আমিন আহমেদ খান, জেলা প্রশাসক আসিব আহসান, রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. একেএম নূর-উন-নবী লাইজু, রংপর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা সিভিল সার্জন ডা. হিরম্ব কুমার রায়সহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনতলা বিশিষ্ট ১০০ শয্যার নবনির্মিত রংপুর শিশু হাসপাতালটিকে দুর্যোগকালীন এই সময়ে ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেশন হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হবে। রংপুর শিশু হাসপাতালটি নির্মাণের পর দীর্ঘদিন ধরে উদ্বোধনের অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু মহামারি করোনাক্রান্তিতে এখন এটি ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেশন হাসপাতাল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এই হাসপাতালের তিনতলা বিশিষ্ট ভবনটি রংপুর বিভাগের করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায়ব্যবহৃত হবে। ১০০ শয্যা বিশিষ্ট এ হাসপাতালে ১০টি আইসিইউ বেড এবং চিকিৎসকের জন্য দুটি ও নার্সদের জন্য একটি আবাসিক কোয়ার্টার রয়েছে। ১১ জন চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে ৬৪ জন সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।

দশটি ভেন্টিলেটর সুবিধাসহ সব ধরণের আধুনিক সুযোগ সুবিধা রাখা হয়েছে নতুন এই আইসোলেশন হাসপাতালে। প্রথম ধাপে ১০টি আইসিইউ বেড ও ১০টি ভেন্টিলেটর দিয়ে কার্যক্রম শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে তা পঞ্চাশে উন্নীত করা হবে। হাসপাতালে গ্রীণ জোন, রেড জোনসহ পৃথক পৃথক জোন রাখা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য