ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৩২৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ২৭ জন। রবিবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে এখন পর্যন্ত ১৬ হাজার ৩৬৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৫২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে শনিবার নিজ বাসভবনে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে ত্রাণ দিতে তার মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, করোনায় সুস্থ হয়ে ওঠার পরিসংখ্যান দেখে বোঝা যাচ্ছে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। রবিবার সকালে সুস্থ হয়ে উঠার হার ১৪ দশমিক ২ শতাংশ। শনিবার যা ছিল ১৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ। গত মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবারে যা ছিল যথাক্রমে ৯ দশমিক ৯৯, ১১ দশমিক ৪১, ১২ দশমিক ০২ ও ১৩ দশমিক ০৬ শতাংশ।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রের দাবি, ১২ রাজ্যের ২২টি নতুন জেলায় গত ১৪ দিনে নতুন করে কোনও সংক্রমণের কথা জানা যায়নি।

তিন হাজার ৬০০-এরও বেশি সংক্রমণের ঘটনা নিয়ে মহারাষ্ট্র এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত রাজ্যের তালিকার শীর্ষে। শনিবার পর্যন্ত এশিয়ার সর্ববৃহৎ বস্তি এলাকা মুম্বইয়ের ধারাভিতে এখনও পর্যন্ত ১১৭ জন আক্রান্ত হয়েছে।

শনিবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সবাইকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, লকডাউনের সময় সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা একান্ত জরুরি। তিনি জাহাঙ্গিরপুরীর উদাহরণ দেন, যেখানে একই পরিবারের ২৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আশঙ্কা করা হচ্ছে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ভারতে করোনা সংক্রমণের হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এরপর থেকে আক্রান্তের সংখ্যা কমতে শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য