ভারতে ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসময়ে ৭৯৬টি নয়া সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। এ পর্যন্ত গোটা দেশে ৩০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ হাজার ১৫২। আর সুস্থ হয়েছে ৮৫৭ জন। আজ (সোমবার) সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে ওই তথ্য জানা গেছে।

ভারতের মহারাষ্ট্রে করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এখানে ১৯৮৫ জন আক্রান্ত এবং ১৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রাজধানী দিল্লিতে ১ হাজার ১৫৪ জন আক্রান্ত এবং ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। এখানে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৭৫ এবং ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রাজস্থানে আক্রান্ত ৮০৪, মৃতের সংখ্যা ৩। মধ্য প্রদেশে ৫৩২ জন আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা ৩৬। গুজরাটে ৫১৬ জন আক্রান্ত এবং ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য রাজ্যেও আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে, করোনার ক্রমবর্ধমান ঘটনার প্রেক্ষিতে জম্মু-কাশ্মীরের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী শ্রীনগরের পুরোনো শহরের ৮টি থানা এলাকাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কার্যত গোটা পুরানো শহর বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখানে বাসরত ৮ লাখেরও বেশি মানুষের যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাজ্যে মোট ২৪৫ টি করোনা সংক্রমণের মধ্যে ৫৮ টি শ্রীনগরের।

পুলিশ জারি করা নতুন আদেশ অনুসারে, পুরাতন শহরের খানইয়ার, সাফাকদল, রায়নাওয়াড়ি, মহারাজ গঞ্জ, নৌহাট্টা, ঈদগাহকে ‘রেড জোন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আরও দুটি থানা এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ওই আদেশ কার্যকর হওয়ার পরে এসব অঞ্চল পুরোপুরি সিল করে দিয়ে সব ধরণের চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এমনকি পায়ে হেঁটে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

শ্রীনগরের ডেপুটি কমিশনার শাহীদ চৌধুরী বলেন, শ্রীনগরে ৬০০-এর বেশি মানুষ উচ্চঝুঁকিতে এখনও কোয়ারান্টাইনে রয়েছেন। সেজন্য ওই পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন ছিল। আগামী দিনগুলোতে বিপুল সংখ্যক করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় শ্রীনগরে ৩ হাজার শয্যাবিশিষ্ট একটি কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। পার্সটুডে

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য