দিনাজপুর সংবাদাতাঃ শনিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখা থেকে প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্ততে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত দিনাজপুর জেলায় সকল প্রকার যানবাহনের প্রবেশ ও জেলা থেকে সকল প্রকার যানবাহনের বর্হিগমন বন্ধ ঘোষণা করা হলো।

অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজনে বা কাজে চলাচলকারী রিকশায় একজনের বেশি যাত্রী ও মোটরসাইকেলে চালক ব্যতীত অন্য কোন যাত্রী পরিবহন নিষিদ্ধ করা হলো। সন্ধ্যা ৬ টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত কেউ ঘরের বাহির হতে পারবেন না।

অন্যান্য সময়ে অতীব জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহির না হতে অনুরোধ করা হয়েছে। এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় চলাচল সীমিত করা হলো। তবে আদেশে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট এবং এতদসংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত কর্মী ও যানবাহন চলাচলে কোন বাধা নেই।

এছাড়া চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী গাড়ি, ওষুধ-শিল্প সংশ্লিষ্ট কর্মী ও যানবাহন, কৃষিপণ্য, সার বীজ, কীটনাশক, জ্বালানী ইত্যাদি পণ্য পরিবহন কাজে নিয়োজিত কর্মী ও যানবাহন চলাচল, কৃষিজ পন্য উৎপাদন, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ খাতের উৎপাদন, দুগ্ধপন্য উৎপাদন, খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনসহ জীবন ধারনের মৌলিক পণ্য উৎপাদন ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মী চলাচল, সরকারী ও বেসরকারী ত্রাণ কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও তাদের যানবাহন, সংবাদপত্র, সাংবাদিক ও সংবাদকর্মী পরিবহন কাজে নিয়োজিত যানবাহনের ক্ষেত্রে এ আদেশ শিথিল থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই আদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দিনাজপুর জেলার সকল প্রবেশ ও বর্হিগমন স্থানে/পয়েন্টে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ চেকপোষ্ট কার্যক্রম থাকবে। এই আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সানিউল ফেরদৌস বলেন, ‘এখনও এটিকে লকডাউন বলা যাবে না। এটি সেমি লকডাউন বা মানুষের চলাচলের উপর একটি বিধিনিষেধ বা নিয়ন্ত্রণ। এর পরের পদক্ষেপই লকডাউন। আপাতত এই জেলার সকল রুটগুলোতে কোন যানবাহন বের হতে কিংবা কোন যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। তাছাড়া মানুষের চলাচলের উপর কিছুটা নিয়ন্ত্রনের জন্য এটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য