রাণীশংকৈল সংবাদাতাঃ ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল-পীরগঞ্জ উপজেলা র্পযন্ত মোট ১১কিলোমিটার মহাসড়ক। ঠাকুরগাঁও সড়ক ও জনপথ(সহজ) এর আওতাধীন চলমান উন্নয়ন কাজ স্থগিত হওয়ায়। এবং পুর্বের সড়কের কার্পেটিং তুলে আবার পাথর ও বালু ফেলে রোলার দিয়ে সমান করে রাখায় এবং বর্তমান সূর্যের প্রখর তাপে বালু শুষ্ক হওয়ায় সড়কের উপর দিযে সামান্য ভ্যান গাড়ী গেলেই।

চাকার গতির সাথে ধুলা উড়ার গতি বেড়ে যাচ্ছে। অন্যান্য যানবাহন চলাচলে তো আরো বেড়ে যায়। এতে পথচারীসহ সড়কের আশ পাশের বসবাসকৃত মানুষজন অতিষ্ট হয়ে পড়েছে।এ ধুলা নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে রাণীশংকৈল পৌর শহরের বাসিন্দাসহ পথচারীরা। এতে স্থানীয়দের মাঝে বেড়েই চলছে জ্বর সর্দি কাশি।

গত ২৬ মার্চ থেকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও মোকাবেলায় সরকারী আদেশে অফিস আদালত নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান ছাড়া সব ধরনের দোকানপাট আপাতত বন্ধ রয়েছে। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচসহ প্রয়োজনীয় কাজ করতে স্থানীয়রা বের হলেও ধুলায় আক্রান্ত হচ্ছেন চরমভাবে। এ নিয়ে বেশ বিপাকে রয়েছেন রাণীশংকৈল উপজেলার মানুষ। স্বাস্থ্য বিভাগের মতে করোনা ভাইরাসের জীবাণূ ধুলার সাথে মিশ্রিত হয়ে মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে। তাই ধুলা উড়ানো বন্ধ করাটাও এখন করোনা প্রতিরোধে অন্যতম অংশ বলে দাবী করছেন স্থানীয়রা।

এদিকে ধুলার প্রকৌপে পড়ে মানুষের বেড়েই চলছে এলার্জি জাতীয় অসুখ সর্দি কাশি ও জ্বর। আর এগুলো হলেই মানুষ সন্দেহের মধ্যে থাকে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে কিনা। কারণ বিশেজ্ঞদের মতে সর্দি কাশি জ্বরও করোনা ভাইরাস আক্রান্তের প্রথামিক লক্ষণও বটে। যদিও সাধারণ সর্দি কাশি জ্বর হলে চিন্তার কিছু নেই বলে আবার স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে। তবে এ ক্ষেত্রে স্থানীয় মানুষের অহেতুক ট্রোলের স্বীকার হতে হচ্ছে অনেক সাধারণ মানুষকে। তাই পৌরবাসীর দাবি বিশেষ করে রাণীশংকৈল পৌর শহরের মধ্যে স্থগিত হওয়া মহাসড়ক উন্নয়নের অসমাপ্ত সড়কে প্রতিদিন পানি ছিটিয়ে ধুলা নিবারণ করা হোক।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ ফিরোজ আলম বলেন,ধুলার কারণে মানুষের এলার্জি জাতীয় অসুখ সর্দি কাশিসহ জ্বরও আসতে পারে। এছাড়াও পূর্বে থেকে যারা হাপানী এজমা রোগে আক্রান্ত তারা আরো বেশি আক্রান্ত হতে পারে। তাই আমাদের উচিত ধুলা বালু থেকে দুরে থাকা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য