সার্জিক্যাল বা ঘরে তৈরি যেমন মাস্কই ব্যবহার করুন না কেনো তা যেন সঠিক মাপের ও পরিচ্ছন্ন থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

স্বাস্থ্য-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইট অবলম্বনে মাস্ক ব্যবহারের ত্রুটিগুলো তুলে ধরা হল।

এসব বিষয়ে সচেতন হলে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

কেবল মুখ ঢাকে অথবা দুর্বল ফিল্টার সমৃদ্ধ মাস্ক ব্যবহার: সার্জিক্যাল বা ঘরে তৈরি মাস্ক যেটাই ব্যবহার করুন না কেনো তা যেন নাক ও মুখ সম্পূর্ণভাবে ঢাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

শুধু মুখ ঢাকে এমন মাস্ক ব্যবহার করলে জীবাণু নাকের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়াও মাস্ক যদি মাপ মতো না হয় তাহলে তা সঠিক সুরক্ষা দিতে পারবে না। তাই নাক ও মুখ ঢাকে এমন মাপ মতো মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।

ভুল সময়ে মাস্ক খোলা: মাস্ক ব্যবহারের অন্যতম ভুল হল, ভুল সময়ে মাস্ক খুলে ফেলা। ঘর থেকে বাইরে যাওয়ার আগে নিজের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া উচিত। তাহলে হাত থেকে মাস্কে জীবাণু যাওয়ার ঝুঁকি থাকবে না। একইভাবে বাসায় ফিরেই মাস্ক খুলে ফেলা যাবে না। প্রথমে হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করে মাস্কের ফিতা ধরে খুলতে হবে। মনে রাখতে হবে, প্রতিবার মাস্ক ব্যবহার করার পরে তা সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে যাতে জীবাণুনাশ হয়।

মাস্ক স্পর্স করা: মাস্ক পরা বা খোলার জন্য এর ফিতার অংশ ব্যবহার করুন। মাস্কের ভেতরের অংশের মতো বাইরের অংশও স্পর্শ করা ঠিক নয়। এতে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

মাস্ক খুলে কথা বলা: মাস্ক ব্যবহার করে কথা বলাটা বেশ ঝামেলাজনক। তারমানে এই নয় যে কথা বলার সময় মাস্ক খুলে কথা বলবেন। মনে রাখতে হবে, করোনাভাইরাস শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে। অসুস্থ কোনো ব্যাক্তির সঙ্গে কথা বললে এর ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই মাস্ক ব্যবহার করেই সকলের সঙ্গে কথা বলুন।

অন্যান্য সতর্কতা: আরও মনে রাখতে হবে, মাস্ক ব্যবহারে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি কমে। আর এটা বেশি কার্যকর হয় যদি তা নিরাপদ থাকার অন্যান্য বিষয় যেমন- হাত ধোয়া, স্যানিটাইজার ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব ঠিকঠাকভাবে মেনে চলা হয়। বিডিনিউজটয়েন্টিফোর

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য