করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দিনাজপুরে বেশ কিছু পরিবারকে সচেতনতা মুলক ব্যবস্থা নিতে দেখা গেছে। শহর ঘুরে বিভিন্ন বাসা বাড়ীর দরজায় সচেতনতা মুলক নটিশ ঝুলতে দেখা যাচ্ছে। বাড়ী গুলোর সচেন বাসিন্দারা স্বেচ্ছায় লকডাউনে গেছেন।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে শহরের সুইহারী বড়বন্দর, বালুবাড়ী, ঈদগা আবাসিক এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে। কোন কোন এলাকা বেড়া দিয়ে তাদের প্রবেশপথ গুলো বন্ধ করে দিয়েছে।

চিরিরবন্দর বাসস্টেন্ড এলাকার বাসিন্দা কৃষিবিদ সাদিক হোসেন জানান, সরকারি ঘোষনার লকডাউন চলছে, দেশে করোনাভাইরাসের মহামারি ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু শত চেষ্টার পরও মানুষের মনে সচেতনতা জাগছে না। অনেকে কথা শুনছে না, মানছে না সরকারি নির্দেশনা। তাই নিজেদের সুরক্ষার জন্য আমি আর আমার ছেলে এই ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রয়োজন ছাড়া আমরা কোথাও যাব না, আর কেউ আমাদের বাড়ীতে আসবে না।

দিনাজপুর শহরের বহু এলাকায় আজ যান বাহনের অবাধ চলাচল ছিল, প্রশাসনে কর্মকর্তারা যেখানে রাস্তায়নামে তখন রাস্তা ফাকা হয়ে যায়, আর যখন সরে যায় তখন আবার চলাচল শুরু হয়।

এদিকে গতকাল সোমবার থেকে দিনাজপুর শহরের মুল টারটি প্রবেশ পথ বন্ধ করে দিলেও, আশেপাশের বিভিন্ন অলিগোলি দিয়ে অটোরিক্সায় মানুষ প্রবেশ করতে দেখা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, দিনাজপুর জেলার আশেপাশের জেলা গুলোতে করোনা আক্রান্ত ধরা পড়ছে। এখান কার জনগনকে বারবার অনুরোধ করা হচ্ছে কিন্তু তারা কথা শুনছেন না। আমার শক্ত হতে পাছিনা। আমার শক্ত হলে আপনারাই ভাইরাল করবেন। আমাদের চাকরি নিয়ে টানাটানি শুরু হবে। চাকরি রক্ষার্থে আমার শক্ত হতে পাছিনা।

আজ শহরের বাহাদুর বাজার, চকবাজার এবং বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠা ছোট ছোট বাজার গুলোতে যথেষ্ট ভীড় ছিল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য