মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা ॥ সৈয়দপুরে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ জনতা কেউ সরকারের নির্দেশনা মানছেনা। করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নাসিম আহমেদ, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল, থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল হাসনাত খান, ট্রাফিক বিভাগের শহর ও যানবাহন পরিদর্শক নাহিদ পারভেজ চৌধুরীর নেতৃত্বে উপজেলা ও থানা প্রশাসন, পৌর মেয়র আমজাদ হোসেন সরকারের নেতৃত্বে পৌর পরিষদ, দিনরাত অব্যাহতভাবে সৈয়দপুরের সর্বস্তরের জনগনকে সচেতন করতে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

বাবা-মা, স্ত্রী সন্তান, আত্মীয় স্বজন ছেড়ে যখন সরকারি নির্দেশনায় সৈয়দপুরবাসীকে বুঝাতে বুঝাতে তাদের মুখের ফেনা শুকিয়ে ফেলছেন। কিন্তু তাদের এ কথা যেন কেউই গায়ে লাগাচ্ছেন না। কিছু কিছু ব্যবসায়ী অধিক উপার্জন করতে তারা প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করেই চলেছেন। তারা যেন কানে তুলা দিয়ে দিয়ে দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের ব্যবসা, বাণিজ্য।

এমনকি আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো নিজ নিজ অবস্থানে থেকেও করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা নিয়েও জনগনকে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসলেও কোন কাজই হচ্ছেনা। তাদের আচার আচরণ দেখে মনে হয় করোনা ভাইরাস কিছুই না। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিভিন্ন লেখালেখি হলেও টনক নড়ছে না কারও। সৈয়দপুরের ওইসব ব্যবসায়ীরা টাকা উপার্জনের লোভে প্রশাসনের সাথে যেমন তামাশা করছে তেমনি সৈয়দপুরকে করোনাভাইরাসের ঝুঁকিতে ফেলছে।

সচেতন মহল বলছে, আল্লাহর রহমতে এষনও সৈয়দপুরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগি নেই। তবে আমাদের ভুলে যদি একটাও করোনা আক্রান্ত রোগি সৈয়দপুরে পাওয়া যায় তাহলে এর পরিণাম হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। কারণ সৈয়দপুর এশটি অতি ঘনবসতিপূর্ণ শ্রমিক শহর। তাই এ অবস্থা সৃষ্টি হওয়ার আগেই সৈয়দপুরের বাসিন্দাদের করোনা থেকে রক্ষা করতে সৈয়দপুরকে লকডাউন করা জরুরী হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন তারা। এজন্য প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য