আজিজুল ইসলাম বারী, লালমনিরহাটঃ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সংবাদ জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দিতে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে লালমনিরহাট জেলা উপজেলার সংবাদকর্মীরা। করোনা ভাইরাসের এমন পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নিয়েও পেশাগত দায়িত্ব থেকেই মাঠে রয়েছে সংবাদকর্মীরা। সাধারণ মানুষের কাছে করোনা ভাইরাস এর সর্বশেষ খবরটি পৌঁছে দিতে প্রতিনিয়ত ছুটে বেড়াচ্ছেন তারা।

সরকারি নির্দেশনা রয়েছে ঘরে থাকার কিন্তু সংবাদকর্মীরা দেশের সার্বিক অবস্থা, বাজার মনিটরিং, ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংবাদ সংগ্রহের বিভিন্ন কাজে বাড়ীর বাইরে থাকছেন।কোন রকম ব্যক্তিগত সুরক্ষা উপকরণ ছাড়াই নিয়মিত পেশাগত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তারা। সংবাদকর্মীরা ঘরে বসে থাকলে দেশবাসী লালমনিরহাট জেলার সার্বিক চিত্র জানবেন কিভাবে? আর যাই হোক লালমনিরহাটের সার্বিক খবরাখবর দেশবাসীকে জানাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই মাঠেই রয়েছেন সংবাদকর্মীরা কিন্তু তাদের নিরাপত্তার কথা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসহ কারো মাথায় নেই।

সাংবাদিকরা যে যেভাবে পারছেন সেভাবেই ছুঁটছেন মাঠে-ঘাটে, শহর-গ্রামে সংবাদ সংগ্রহ করতে। বিশেষ করে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহ এবং স্ব-স্ব গণমাধ্যমে সংবাদগুলো প্রেরণ করছেন। তবে যে যেভাবে পারছেন নিজেদেরকে সুরক্ষায় থাকার চেষ্টা করছেন। এখন পর্যন্ত গণমাধ্যকর্মীদের সুরক্ষার জন্য সরকারি কিংবা বেসরকারীভাবে কেউই এগিয়ে আসেনি। এগিয়ে আসেননি স্ব-স্ব গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষও।

তবে দ্রুত সংবাদকর্মীদের জন্য পিপিই সরবরাহ করা প্রয়োজন। সাংবাদিকরা প্রতি দুর্যোগের সময় দেশের স্বার্থে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদপ্রচার করেন। করোনা ছোঁয়াচে ভাইরাস সেটিকেও উপেক্ষা করে সংবাদকর্মীরা সংবাদ সংগ্রহে যাচ্ছেন এবং সংবাদ প্রচার করছেন। সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা যেখানে সংবাদকর্মীদের মৃত্যু ঝুঁকি থাকেই। ঝুঁকির মাঝেই তাদের কাজ করতে হয় এবং মাঠে থাকতে হয় কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সংবাদকর্মীদের সুরক্ষা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

দেশের মানুষ যখন ঘরে থাকে তখন সাংবাদিকরা মানুষের কাছে খবর পৌঁছে দিতে কাজ করে বাহিরে।কিন্তু এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। একটি রোগের সাথে সারা পৃথিবী যুদ্ধ করছে এবং সে যুদ্ধে সাংবাদিকরাও রয়েছে। তবে এটাও সঠিক যে, মাঠে কাজ করার সময় করোনা প্রতিরোধে যে ধরনের ইকুইপমেন্টের সাংবাদিকদের প্রয়োজন তা তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান সরবরাহ করছে না। তাই সরকারের কাছে এবং স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের কাছে দাবি জানানো হচ্ছে দ্রুত সাংবাদিকদের পিপিই দেয়া হোক।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য