বিরামপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন সেন্টারে করোনাভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে থাকা ৮ বছরের এক শিশু ও কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসহকারীর শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়নি। নমুনা পরীক্ষা করে আইইডিসিআর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সোলায়মান হোসেন মেহেদী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান।

বুধবার সকালে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআর থেকে রিপোর্ট পাওয়ার পর হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে থাকা তাদের দুজনকে থেকে মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

ডা. সোলায়মান হোসেন মেহেদী বলেন, গত ২৩ মার্চ দুপুরের দিকে জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে ৮ বছরের এক শিশু হাসপাতালে আসে। গত সাতদিন ধরে শিশুটি এই রোগে আক্রান্ত হয় বলে পরিবার জানান। পরে তাকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

এর পরে গত ২৪ মার্চ দুপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসহকারী হঠাৎ করে গলা ব্যাথা, জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসলে তাকেও করোনা সন্দেহে হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

এর পরে শিশুটিসহ তাদের দুজনেরই শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়। বুধবার সকালে সেখান থেকে পরীক্ষার পর সেই রিপোর্ট এসে পৌছেছে। এ কারণে আজ হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে থাকা তাদের দুজনকে রিলিজ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান ডাক্তার মেহেদী। তিনি আরও জানান, তারা দুজনই হাসপাতালে ভর্তির পর এক-দুদিন পর থেকেই সুস্থ ছিলেন।

তিনি আরও জানান, গত ৩০মার্চ জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে উপজেলার জোতবানি ইউনিয়নে এক যুবক মারা যায়। পরে সেই যুবকের নমুনা সংগ্রহ করে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ওই যুবকের শরীরের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল আমাদের হাতে আসেনি, নমুনার রিপোর্ট পাওয়া গেলে বলা যাবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য